TMC Manifesto for Nandigram: নন্দীগ্রাম দখল করতে বিরাট বড় চাল দিয়ে দিল তৃণমূল! – Bengali News | TMC Realeased a separate Manifesto for Nandigram Assembly
পূর্ব মেদিনীপুর: রাজ্য রাজনীতির পাখির চোখ নন্দীগ্রামই তা বোঝালো শাসকদল তৃণমূলই। দলের ইস্তাহার নয়-এবার নন্দীগ্রামের জন্য আলাদা ইস্তাহার প্রকাশ তৃণমূলের। আর কয়েকদিন বাকি ভোটের। ঠিক সেই মুহূর্তে নন্দীগ্রামকে নিয়ে নয়া স্ট্রাটেজি ঘাসফুল শিবিরের। আর একটি বড় চাল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
একুশের ভোটে পাখির চোখ ছিল নন্দীগ্রাম। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেবার লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর গড় নন্দীগ্রাম থেকে। আর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনীপুরে লড়াই করবেন শুভেন্দু। আর নন্দীগ্রামে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন শুভেন্দুরই একসময়ের ছায়া সঙ্গী পবিত্র কর। ফলে, ভবানীপুর আর নন্দীগ্রাম দুটোই যে ঘাসফুল শিবিরের জন্য ‘প্রেসটিজ ফাইট’ বলার অপেক্ষা রাখে না। একটি হল গড় ধরে রাখার জায়গা আর অপরটি হল গড় ছিনিয়ে নেওয়া জায়গা। তাই নন্দীগ্রামকে আলাদা করেই যে বিদায়ী শাসকদল গুরুত্ব দিচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ইতিমধ্যে নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার স্রেফ নন্দীগ্রামের জন্য আলাদা ইস্তাহার। এখন প্রশ্ন একটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা প্রতিশ্রুতি কেন? এদিন, সন্ধ্যায় রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে
নন্দীগ্রামের জন্য আলাদাভাবে একটি ইস্তেহার প্রকাশ করল দল। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক,দলের মুখপাত্র প্রতিকুর রহমান,গায়ক কেশব দে, শেখ সুফিয়ান সহ নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পবিত্র কর ছাড়াও নেতৃত্বরা।
ইস্তাহারে কী কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হল?
১) হলদি নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হবে।
২) নন্দীগ্রামের পুরনো সমস্ত নতুন সমস্ত রাজনৈতিক মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে আগামী দিনে একটি ফাস্ট ট্রাক আদালত গঠন করা হবে।
৩) নন্দীগ্রামের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজের রূপান্তরিত করা হবে।
৪) হরিপুরের কৃষি বাজারের আধুনিকিকরণ করা হবে।
৫) নন্দীগ্রামের মৎস্যজীবীদের জন্য একটি কোল্ড স্টোরেজ করা হবে।
৬) এছাড়াও নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের খোদাম বাড়িতে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনাও এই ইশতেহারে প্রকাশ করে তৃণমূল।
৭) নন্দীগ্রামে একটি আধুনিক কমিউনিটি হল তৈরি করার পরিকল্পনা।
সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজনৈতিক ময়দানে এতোটুকু জমি ছাড়তে নারাজ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এই ইস্তেহার নিয়ে গেরুয়া শিবিরকে বেশ চাপে ফেলতে চায় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।