TMC at EC: ‘৭ মিনিটের মধ্যে বলেছেন Get Lost’, জ্ঞানেশ কুমারদের উপর রেগে অগ্নিশর্মা ডেরেক, বেরিয়ে বললেন…

নয়া দিল্লি: কমিশনের সঙ্গে সংঘাত চরমে পৌঁছল তৃণমূলের। বুধবার সকালেই দিল্লির নির্বাচন সদনে পৌঁছেছিল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। উপস্থিত ছিলেন ডেরেক ও ব্রায়েন, সাগরিকা ঘোষ, মেনকা গুরুস্বামী। কিছুক্ষণের মধ্যেই দিল্লির নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে বেরিয়ে আসেন। রণমূর্তি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল সাংসদদের বেরিয়ে যেতে বলা হয়েছে কমিশন থেকে। পাল্টা অভিযোগ তোলা হয়েছে কমিশনের তরফেও।
এসআইআরে ৯০ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। বাদ পড়া ভোটারদের ভোটাধিকারের দাবি জানিয়ে বুধবার কমিশনে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। ইতিমধ্যেই বাংলায় ৯০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করতে যান তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা।
বেরিয়ে এসে ডেরেক বলেন, “এটা কি নির্বাচন কমিশন না অন্য আরও কিছু। সাত মিনিটের মধ্যে চিফ ইলেকশন কমিশনার আমাদের বলেছেন, গেট লস্ট (Get lost)। চারজন সংসদকে বলেছেন, এখান থেকে বেরিয়ে যাও।” তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ন’টা চিঠি লিখলেও কেন একটা চিঠিরও প্রাপ্তি স্বীকার করা হয়নি বলে প্রশ্ন তুলেছেন ডেরেক।
তিনি আরও বলেন, “আমি কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছি। আজ যা হয়েছে, তার ভিডিয়ো প্রকাশ করুন। আমি ২২ বছর রাজনীতি করছি, ১৬ বছর সাংসদ আছি, কিন্তু আজ যে অভিজ্ঞতা হল, সেটা এক কথায় লজ্জার।” এছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছ’জন এমন অফিসার রয়েছেন যাদের বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেছে তৃণমূল।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের সূত্র বলছে, ডেরেক ও ব্রায়েন ভিতরে ঢুকে চিৎকার করলে, তাঁকে থেমে যেতে বলা হয়। এমনকী জ্ঞানেশ কুমারকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ ডেরেকদের বিরুদ্ধে। আরও জানা যাচ্ছে যে ডেরেককে ভদ্র ব্যবহার করার কথা বলেন কমিশনার। বুঝিয়ে বলেন যে এভাবে চেঁচিয়ে কথা বলা উচিৎ নয়। তবে ডেরেক বেরিয়ে এসে দাবি করেন, তাঁদের সঙ্গে কোনও কথাই হয়নি কমিশনারের। এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে কী কী বিষয়ে কথা হয়েছে, তা জানিয়ে সাংবাদিকদের একটি মেসেজ পাঠানো হয় কমিশনের তরফে। ডেরেক মোবাইল হাতে সেই মেসেজ পড়তে পড়তে বলেন, “এগুলো মিথ্যা কথা। কোনও কথাই হয়নি ভিতরে।”