PM Modi Meeting: মজুত রাখা হবে কয়লা, যুদ্ধ আবহে আর কী কী বড় সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী? - 24 Ghanta Bangla News
Home

PM Modi Meeting: মজুত রাখা হবে কয়লা, যুদ্ধ আবহে আর কী কী বড় সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

Spread the love

PM Modi Meeting: মজুত রাখা হবে কয়লা, যুদ্ধ আবহে আর কী কী বড় সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

নয়া দিল্লি: ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধের আঁচ ক্রমেই বাড়ছে। নিশ্চিন্ত থাকতে পারছে না ভারতও। এই যুদ্ধের প্রভাবে ইতিমধ্যেই এলপিজি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে সরকার। এবার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার, ২২ মার্চ নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্য়াবিনেট কমিটির বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাফ বার্তা- যুদ্ধের আঁচ যেন সাধারণ মানুষের উপরে না পড়ে। তাদের রক্ষা করতে হবে।

নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্য়াবিনেট কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সহ প্রমুখ। সরকারি সূত্রে খবর, ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে যুদ্ধ ও সঙ্কট নিয়ে স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী-দুই উপায় নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে যাতে প্রয়োজনীয় পণ্য়ের সরবরাহ বজায় থাকে। পাশাপাশি শক্তি সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হয়।

সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিস, খাবার থেকে শুরু করে জ্বালানির হিসাব কষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট পেশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন যে ইরানের সংঘাতের প্রভাব গোটা বিশ্বের উপরে পড়ছেে। এই পরিস্থিতিতে নাগরিকরা যাতে যুদ্ধের প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকে, তার জন্য সমস্ত পদক্ষেপ করতে হবে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে পর্যাপ্ত পরিমাণ কয়লা মজুত রাখা হবে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলিতে যাতে বিদ্যুতের কোনও ঘাটতি বা সঙ্কট দেখা না দেয়। এছাড়া পেট্রোকেমিক্যাল, কেমিক্যাল, ওষুধ ও অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সারের সরবরাহও বজায় রাখতে বলা হয়েছে, যাতে খাদ্য সঙ্কট দেখা না দেয়। ভবিষ্যতে বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা করা হয়।

এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী মোদী এই বৈঠক প্রসঙ্গে লিখেছেন, “পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠক করলাম। আমরা স্বল্প, মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছি। কৃষকদের জন্য সারের জোগান থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে একাধিক আমদানির পথ তৈরি, রফতানির জন্য নতুন জায়গা খুঁজে নেওয়া সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা যুদ্ধের প্রভাব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *