Fifa World Cup 2026 : মত বদল, ইরানকে বিশ্বকাপে স্বাগত ট্রাম্পের !

কলকাতা : ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র ৯৩ দিন। আগামী ১১ জুলাই থেকে বসতে চলেছে বিশ্বফুটবলের আসর। চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপ। ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ নিয়ে বিতর্ক চরমে। আসন্ন বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে ইরান, যেটি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আমেরিকা, মেক্সিকো ও কানাডায়। মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধের কারণে ইতিমধ্যেই ক্ষতি হয়ে গিয়েছে ইরানের। প্রয়াত তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতউল্লাহ খামেনেই। এরপর থেকেই ইজরায়েল ও আমেরিকার হামলার জবাবে পাল্টা প্রত্যাঘাত দেওয়া শুরু করেছে ইরান। এর আগেই বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি জানিয়েছিল ইরান। ইরানের ফুটবল সংস্থার প্রধান মেহদী তাজ জানিয়েছেন,”আমেরিকা ও ইজরায়েলের এই যুদ্ধের সময় আমেরিকায় গিয়েই ফুটবল খেলা অর্থহীন। যা ঘটছে তার জন্য দায়ী আমেরিকাই। আমরা চিন্তাভাবনা করব।”
এরপর থেকেই প্রশ্ন ওঠে,”আদৌ কি ইরান বিশ্বকাপ খেলবে ?” ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলেন ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনো। তবে এসবের মধ্যেই নতুন করে ইরানের খেলার জল্পনা বাড়ালেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনফান্তিনো লিখেছেন মঙ্গলবার তিনি প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে গিয়েছিলেন ও সেখানেই ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনাতেই ট্রাম্প বলেছেন,”ইরান বিশ্বকাপে আমেরিকায় খেলতে চাইলে তাদের স্বাগত।” এরপরেই ইনফান্তিনো বলেছেন,”মানুষকে আরও সঙ্ঘবদ্ধ করতে গেলে বিশ্বকাপ আয়োজন খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সহযোগিতার জন্য তাঁর কাছে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ এবং এর ফলেই আবার প্রমাণ হল যে ফুটবল গোটা বিশ্বের জনগণকে একত্র করে তোলে।” কয়েকদিন আগেই ট্রাম্প বলেছিলেন,”যদি ইরান বিশ্বকাপ খেলে, তাহলে আমার কিছু এসে যায় না।” এর মধ্যেই ভোল বদলে অন্য় মত জানালেন ট্রাম্প।
গ্ৰুপ জি-তে মিশর, বেলজিয়াম ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে একসঙ্গে রয়েছে ইরান দল। তাদের প্রাক-ম্যাচ ট্রেনিং হওয়ার কথা আমেরিকার অ্য়ারিজোনা প্রদেশে। গ্রুপ পর্বে ইরানের সব ম্যাচই আমেরিকায়। এই ঘটনার পর গোটা বিশ্ব জুড়েই শুরু হয়েছে চর্চা। কিছুদিন আগেই এএফসি এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়া এসেছিল ইরানের মহিলা দল। সেখানে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে অস্ট্রেলিয়া সরকার তাদের মানবিক ভিসা দিয়েছে। ইরানের প্রতিযোগিতা থেকে বিদায়ের পর বাকিরা চলে গিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে। এসবের মধ্যেই ট্রাম্প বনাম ইরান নিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ নিয়ে রাজনৈতিক তরজা।