Chief Secretary: মুখ্যসচিবের নামই ‘অমীমাংসিত’ তালিকায়, কল্যাণের ছেলে-মেয়েও ‘বিচারাধীন’ – Bengali News | Chief Secretary Nandini Chakraborty’s name is under adjudication in SIR final voter list
এসআইআর-এ ‘অমীমাংসিত’ তালিকায় মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর নামImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলায় তাঁর নাম নিয়েছিলেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ না হলেও কল্যাণ বলেছিলেন, বাংলার মুখ্যসচিবের নামই রয়েছে ‘অমীমাংসিত’ তালিকায়। পরে সংবাদমাধ্যমের কাছে একটি ছবিও দেখিয়েছিলেন। আর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর জানা গেল, সত্যিই মুখ্যসচিবের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। আবার কল্যাণের ছেলে ও মেয়ের নামও ‘বিচারাধীন তালিকায়’ রয়েছে।
কলকাতার রাসবিহারী এলাকার ভোটার রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। এনুমারেশন ফর্মে কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি রয়েছে জানিয়ে তাঁকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেগুলো সংশোধনের জন্য গত ডিসেম্বরে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন বিএলও, ইআরও এবং এইআরও-রা। মুখ্যসচিবের নাম যে যাচাইয়ের তালিকায় রয়েছে, তা তালিকা প্রকাশের আগেই সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছিল। তারপরও কেন তা পরিবর্তন করা হয়নি? কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, জুডিশিয়াল অফিসারদের দায়িত্ব দেওয়ার ফলে ERO-দের হাত থেকে সব ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে যায়। তাই কোনওভাবেই সেটা ঠিক করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। কল্যাণ যখন আদালতে এসআইআর মামলায় লড়ছেন, তখন তাঁর ছেলে শীর্ষণ্যকে ‘বিচারাধীন তালিকায়’ রাখা হয়েছে। শীর্ষণ্যও একজন আইনজীবী। রাজ্য সরকার তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টের সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল হিসেবে নিযুক্ত করেছে। শুধু কল্যাণের ছেলে নয়, তৃণমূল সাংসদের মেয়ে প্রমিতিকেও আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় পাঠানো হয়েছে। অদ্ভুতভাবে দুই ভাইবোনের কেউই শুনানিতে ডাকই পাননি। অথচ দু’জনের নামই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই নিয়ে শোরগোল পড়েছে। শুনানিতে ডাক না পাওয়ার পরও কেন তাঁদের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠছে।