Abhishek Banerjee: স্পিকারে আর কোনও আস্থা নেই কংগ্রেসের, কিন্তু ‘অনস্থায়’ ধীরে চলো নীতি অভিষেকের, দিলেন ব্যাখ্যা – Bengali News | Congress no longer has confidence in the Speaker, but what is Congress saying about the ‘non confidence motion’
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় Image Credit: TV 9 Bangla
দিল্লি: গত কয়েকদিন ধরেই স্পিকারের অবস্থান ঘিরে সরগরম দিল্লির রাজনৈতিক মহল। এরইমধ্যে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনস্থা আনার তোড়জোড়ের মধ্যেই ইন্ডিয়া ব্লকে ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের দ্বিমত নিয়েও চর্চা তুঙ্গে। তৃণমূল চাইছিল অন্তত ২০০ সাংসদের সাক্ষর করা চিঠি দেওয়া হোক স্পিকারকে। কিন্তু তৃণমূলের এই অবস্থানে খুব একটা সায় নেই কংগ্রেসের। তৃণমূল ছাড়াই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনস্থা আনার পথে ঝুঁকছে হাত শিবির। কংগ্রের পাশে রয়েছে ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলি।
এদিকে তৃণমূলেরও স্পিকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নেহাৎ কম নয়। যদিও তাঁরা বলছে আগে ২০০ চিঠিকেই অনস্থা আনার ক্ষেত্রে স্পিকারের বিরুদ্ধে শেষ হাতিয়ারের আগের পদক্ষেপ হিসাবে ব্যবহার করা হোক। স্পিকারকে দেওয়া হোক তিনদিনের ডেডলাইন। স্পিকার যদি চিঠিতে তোলা দাবিগুলি মেনে নেন তাহলে ভাল। অন্যথায়, তিনি যদি কোনও পদক্ষেপ না করেন তাহলে শেষ হাতিয়ার হিসাবে অনাস্থা আনা হোক। সোজা কথায়, অনস্থার আগেই শেষ আল্টিমেটাম দিতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। যা দেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মত, অনস্থা ইস্য়ুকে অভিষেকরা খানিক ধীরেই চলতে চাইছেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী যেখানে সংসদে বাধার মুখে পড়েছেন সেখানে আর ধীরে চলোর নীতি না পসন্দ হাত শিবিরের। যদিও বাস্তবে বিরোধী শিবিরের যা শক্তি রয়েছে সংসদে তাতে এই অনস্থা প্রস্তাব কতটা পাশ হয় তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষ্কার বলছেন, “আমাদের পার্টির যে অবস্থার তাতে অনস্থায় সই করতে আমাদের কোনও সমস্যাই নেই। সব তৃণমূল সাংসদরাই সই করবে। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে যে চার দাবি স্পিকারের কাছে রাখার কথা বলা হচ্ছে সেটাই আমরা চিঠির আকারে স্পিকারে পাঠাতে বলছিলাম। সেটায় সমস্ত বিরোধী সাংসদরা সই করবেন। তারপর ২ থেকে ৪ দিন সময় দিন। তারপরেও স্পিকার কোনও অ্যাকশন না নিলে অনস্থার অপশন তো থাকছেই। ওই রাস্তা খোলাই আছে।”