T20 World Cup : আইসিসির পাল্টা হুমকিতে নাটক শেষ! ভারত ম্যাচ খেলতে রাজি পাকিস্তান! – Bengali News | After the ICC meeting, Pakistan board confirmed thar they’ll play against India.
কলকাতা : দীর্ঘদিনের নাটক শেষ। অবশেষে ভারতের বিরুদ্ধে আগামী রবিবার ম্যাচ খেলতে রাজি হল পাকিস্তান। নিজেদের পূর্ব অবস্থান থেকে প্রায় ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে পাক ক্রিকেট বোর্ড গতকাল জানিয়েছে, তারা কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে নামতে প্রস্তুত। সোমবার গভীর রাতে পাক সরকারের এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করে জানানো হয়েছে,”বন্ধু দেশগুলির অনুরোধ এবং বেশ কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর পর ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান দলকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।” রবিবার লাহোরে একটি ত্রিদেশীয় মিটিং করেন বোর্ড প্রধানরা। আইসিসি কর্তাদের সঙ্গে এই মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নকভি এবং বাংলাদেশ বোর্ডের প্রধান আমিনুল ইসলাম।
আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে বসার পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের তরফে তিনটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এক, বিশ্বকাপে না খেলার দরুণ বাংলাদেশের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছিল, সেই অর্থ পুষিয়ে দিতে হবে। দুই, বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের ‘পার্টিসিপেশন ফি’ দিতে হবে। তিন, ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট হোস্ট করতে দিতে হবে বাংলাদেশকে। এই আলোচনার পরেই বিবৃতি দিয়ে আইসিসি জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের ওপর কোনরকম আর্থিক শাস্তি আরোপ করবে না। ২০৩১ সালের আগেই বাংলাদেশকে হয়ত একটি ইভেন্ট হোস্টের দায়িত্ব দিতে পারে আইসিসি । এর মধ্যেই পাকিস্তান আরো কতগুলি দাবি জানিয়েছে, যা মুহূর্তের মধ্যে খারিজ করে দিয়েছে আইসিসি। পাক বোর্ডের দাবি ছিল, ভারত বনাম পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আবার ফেরাতে হবে। এছাড়াও, সূর্যকুমার এবং সলমনকে আবার করমর্দন করতে হবে। সর্বশেষ দাবি ছিল, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশকে নিয়ে যেন একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজন করে আইসিসি। এই তিনটি প্রস্তাবই খারিজ করে দিয়েছেন আইসিসির প্রতিনিধি ইমরান খোয়াজা।
এসবের মধ্যেই নিজেদের আবার হাস্যস্পদ করে তুলল বাংলাদেশ ও পাক বোর্ড। পাকিস্তান যতই বলুক, তারা বাংলাদেশের সমর্থনে ম্যাচ বয়কট করবে, শেষ পর্যন্ত নিজেদের মাথা হেঁট করেই বাধ্য বাছুরের মত আবার ম্যাচ খেলতে নামছে পাকিস্তান। ক্রিকেটমহলের মতে, শ্রীলঙ্কা এবং আরব আমিরশাহির চিঠির পর ক্রমাগত কোনঠাসা হয়ে পড়ছিল পাকিস্তান। এই দুই দেশই পাকিস্তানের দুর্দশায় তাদের সাহায্য করেছিল। পাকিস্তান না খেলায় পাকিস্তানের পাশাপাশি বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ত এই অ্যাসোসিয়েট দেশগুলিও। যে কারণে পাকিস্তানের এই দ্বিমত পোষণ। অতিরিক্ত ‘মুর্খামির’ জেরে আন্তর্জাতিক মহলে আবার মুখ পুড়ল পাক বোর্ডের, এটাই মত ক্রিকেটজনতার।