Exclusive: দ্বিতীয় স্ত্রীর চ্যালেঞ্জের মুখে তড়িঘড়ি থানার পথে হিরণের প্রথম স্ত্রী - Bengali News | Hiran chatterjees first wife at police station - 24 Ghanta Bangla News
Home

Exclusive: দ্বিতীয় স্ত্রীর চ্যালেঞ্জের মুখে তড়িঘড়ি থানার পথে হিরণের প্রথম স্ত্রী – Bengali News | Hiran chatterjees first wife at police station

মঙ্গলবার দুপুর থেকেই সোশাল মিডিয়া তোলপাড় বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বেনারসের বিয়ের ছবি নিয়ে। হিরণের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। এমনকী, সদ্য় সোশাল মিডিয়ায় দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে লম্বা পোস্ট করেছেন হিরণের নতুন বউ হৃতিকা গিরিও। তাঁর কথায় এই বিয়ে মঙ্গলবার নয়, ঘটেছে অনেক আগেই। হৃতিকার কথায়, এই বিয়ে বেনারসের গঙ্গা ও অগ্নিদেবতাকে সাক্ষী রেখে হয়েছে, যা কিনা পবিত্র! তবে হৃতিকা এখানেই শেষ করেননি। অভিযোগের আঙুল তুলেছেন হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার দিকেও। স্পষ্টই জানিয়েছেন অনিন্দিতাকে আগেই ডিভোর্সের নোটিস পাঠানো হয়েছিল। আর এবার খবর, বুধবার রাত ৯ নাগাদ আনন্দপুর থানায় যাচ্ছেন হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। থানায় পৌঁছে ঠিক কী অভিযোগ দায়ের করবেন অনিন্দিতা, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। হৃতিকার সোশাল মিডিয়া পোস্ট নিয়েও এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার কাছ থেকে।

হিরণের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে কী লিখেছেন হৃতিকা?

হৃতিকা জানিয়েছেন যে তিনি এই মুহূর্তে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং শারীরিকভাবে অসুস্থ। সম্প্রতি তাঁর একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং চিকিৎসক তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাই সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকার দিতে না পারলেও তিনি প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে কিছু বিষয় স্পষ্ট করেছেন। হৃতিকা দাবি করেছেন যে তাঁর বয়স নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন যে অনিন্দিতাকে ইতিপূর্বেই ডিভোর্সের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। হৃতিকা বলেন, “এই বিয়ে আমরা অনেক আগেই করেছি। গত ৫ বছর ধরে আমরা একসঙ্গেই আছি এবং এই সব বিষয় অনিন্দিতা জানতেন”। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে যদি সব কিছুই জানাজানি ছিল, তবে এতদিন অনিন্দিতা কেন চুপ ছিলেন। অনিন্দিতার দাবি ছিল তাঁরা গত ৬ মাস ধরে একসাথে থাকছিলেন, কিন্তু হৃতিকা তা অস্বীকার করে বলেন যে তাঁরা কোনোদিনই ৬ মাসের জন্য একসাথে থাকেননি। হিরণ শুধুমাত্র ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁর মেয়ের সাথে ছিলেন কিছু ব্যক্তিগত কারণে এবং সেই সময়েই মেয়ের জন্মদিন পড়েছিল। হৃতিকা জানান, এটি কোনও বিলাসিতা বা লোকদেখানো বিয়ে ছিল না। মনের শান্তি ও মানসিক সন্তুষ্টির জন্য বারাণসীর ঘাটে গঙ্গা মায়ের সামনে আগ্নিকে সাক্ষী রেখে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

বিয়ের সরঞ্জাম যেমন ১৬ সিঙ্গার ও সিঁদুর শ্রী ধাম বৃন্দাবন এবং মা বারাণসীর মন্দির থেকে আনা হয়েছিল। কাশীবিনাশ্বনাথ ধাম থেকে পাওয়া আশীর্বাদী ওড়না তিনি গায়ে জড়িয়েছিলেন। বিবৃতির শেষে হৃতিকা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছেন, যদি এই বিয়ে বেআইনি মনে হয়, তবে যেন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর বাইরে এই বিষয়ে তাঁর আর কিছু বলার নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *