কীভাবে ৭৮টা ঘুমের ওষুধ পেয়েছিলেন দেবলীনা? ভয়ঙ্কর তথ্য এল সামনে - Bengali News | Here is how debolina nandy collect 78 medicine - 24 Ghanta Bangla News
Home

কীভাবে ৭৮টা ঘুমের ওষুধ পেয়েছিলেন দেবলীনা? ভয়ঙ্কর তথ্য এল সামনে – Bengali News | Here is how debolina nandy collect 78 medicine

Spread the love

যাঁর সুরেলা কণ্ঠে মুগ্ধ হাজার হাজার মানুষ, যাঁর পারিবারিক ভ্লগ দেখে সাধারণ মানুষ খুঁজে পায় ঘরের মেয়ের টান— সেই দেবলীনা নন্দীর বর্তমান ঠিকানা এখন হাসপাতালের বিছানা। কেন জীবনের চরম সিদ্ধান্ত নিলেন এই হাসিখুশি গায়িকা? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে নেটপাড়ায়। গত ক’দিনে দেবলীনার জীবন নিয়ে সমাজমাধ্যম দ্বিধাবিভক্ত হলেও, তাঁর দিদির সাম্প্রতিক লাইভ ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন চাঞ্চল্য।

দেবলীনা ৭৮টি ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এই পরিমাণ ওষুধ তিনি কোথায় পেলেন, তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছিল। এর জবাবে দেবলীনার দিদি জানান, “বোনের আগে থেকেই ঘুমের সমস্যা ছিল। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেত। দীর্ঘ সময় ধরে অল্প অল্প করে সেই ওষুধ জমিয়ে রেখেছিল। ওষুধের ডোজ হালকা ছিল বলেই হয়তো বড় কোনও বিপদ ঘটেনি।”

দেবলীনার দিদি সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তাঁর স্বামী প্রবাহ নন্দীর দিকে। তাঁর দাবি, “আমার বোন প্রবাহর থেকে তিনগুণ বেশি রোজগার করে। অথচ প্রবাহর বিলাসবহুল জীবন দেবলীনার টাকায় চলে। ৩১ ডিসেম্বরেও ১৯ হাজার টাকার ট্রলি, ২৪ হাজার টাকার বেল্ট এমনকি ৬০ হাজার টাকার পারফিউমও কিনে দিতে হয়েছে ওকে। এমনকি প্রবাহর অন্তর্বাসটাও দেবলীনা কিনে এনে দেয়।” অভিযোগ আরও গুরুতর আকার নেয় যখন দিদি দাবি করেন, বিবাদের চরম পর্যায়ে প্রবাহর শেষ কথা ছিল, “কী করবে এখন, সুইসাইড করবে?”

নিজের নেওয়া চরম সিদ্ধান্তের আগে সোশ্যাল মিডিয়া লাইভে এসে মনের আগল খুলেছিলেন দেবলীনা। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি বলেন, “বিয়ের পর থেকেই পেশা এবং মা-কে নিয়ে অসহ্য যন্ত্রণার শিকার হচ্ছি আমি। বারবার আমাকে বলা হয়েছে মা-কে ছেড়ে দিতে হবে। যে মা নিজে ছেঁড়া শাড়ি পরে আমাকে বড় করেছেন, ভালো জামা এনে দিয়েছেন, তাঁকে আমি কীভাবে ত্যাগ করব? মা আমার শো-তে না থাকলে আমার গান পূর্ণতা পায় না।”

দেবলীনা আরও যোগ করেন, “আমি সারাক্ষণ পজিটিভিটি ছড়ানোর চেষ্টা করি, ব্লগের মাধ্যমে হাসি-মজা শেয়ার করি। কিন্তু আমি ভালো নেই। দীর্ঘদিনের ট্র্যাজেডি আর ব্যালেন্স করতে পারছি না। আমি আর পারছি না, লিমিট ক্রস করে যাচ্ছি।”

দেবলীনার এই পদক্ষেপের পর নেটপাড়া এখন দু’ভাগে বিভক্ত। একদল তাঁর প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে সুস্থতা কামনা করছেন, অন্যদল ঘটনাটিকে ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, তাতে বিষয়টি এখন আইনি মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গায়িকার এই পরিস্থিতির জন্য তাঁর শ্বশুরবাড়ির মানসিক চাপ নাকি স্বামী প্রবাহর উচ্চাকাঙ্ক্ষা দায়ী— সেই উত্তর এখন সময়ের অপেক্ষায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *