SIR in Bengal: বিএলও-দের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হল BLO অধিকার মঞ্চের নেত্রীকে – Bengali News | Woman leader of BLO organization removed from WhatsApp group of BLOs in Purulia
কী বলছেন বিএলও সোনালি বন্দ্যোপাধ্যায়?Image Credit: TV9 Bangla
অ
বিএলও থেকে বাদ দেওয়া হলো বিএলও অধিকার মঞ্চের নেত্রীকে। ঘটনা পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৬নম্বর বুথের।
বিএল ও অধিকার মঞ্চের নেত্রী সোনালী ব্যানার্জিকে বি এল ও গ্রুপ থেকেই আচমকা কোন নোটিশ ছাড়াই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। নেত্রীর অভিযোগ প্রথমে ফোন করলেও ফোন ধরেননি এইআরও থেকে ইআরও। পরে ফোন ধরে বলে বলেন নিয়ম না মানার জন্যই বাদ দেওয়া হয়েছে।
সূত্রপাত গত শুক্রবার। বিয়ের ও অধিকার মঞ্চের পক্ষ থেকে রাজ্য নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও ঝর্ণা দেয় বিএলও অধিকার মঞ্চের নেতা নেত্রীরা। সেই আন্দোলনে ছিলো পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৬ নম্বর বুথের মঞ্চের নেত্রী সোনালী ব্যানার্জি। গত শুক্রবার নির্বাচন দপ্তরে দাবি-দাওয়া জানাবার পর নির্বাচন কমিশনের ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার দিব্যেন্দু দাস একটি লেখা হোয়াটসঅ্যাপে দেন। সেই পোষ্টটি পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের গ্রুপে তিনি পোষ্ট করেন। তারপরেই আজ তাকে দুপুরে আচমকা বিএলও গ্রুপ থেকে রিমুভ করে দেওয়া হয়।
তারপর তিনি নির্বাচন পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের কাজে যুক্ত বিভিন্ন আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও বাদ দেওয়ার সঠিক কারণ জানতে পারেননি। তারপর তিনি ইআরও (সদর মহকুমাশাসক) সথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও অভিযোগ তাঁর ফোন প্রথমে ধরেননি। পরে ফোন করে জানান তিনি নিয়ম মানছেন না। তাই তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এর পরেই তিনি নির্বাচনে কাজে যুক্ত থাকা ইআরও তথা সদর মহকুমা শাসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।
তিনি বলেন যেখানে নির্বাচন কমিশন আমাদেরকে ভরসা দিচ্ছেন সেখানে জেলার আধিকারিকরা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে চাপে ফেলছেন। এখানে অনেক বিএলওরা ভয়ে আছেন, হেনস্থা শিকার হচ্ছেন। ওনাদের ভয় কাটানোর জন্যই ওই মেসেজটি আমি গ্রুপে শেয়ার করেছিলাম। তিনি নাকি এটাই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন।
জেলার আধিকারিকরা চাপ দিচ্ছে বলেই আজকে এই অবস্থা হয়েছে। আমি আন্দোলন করছি বলেই কি উনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে বাদ দিয়েছেন। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি। সিও দপ্তর থেকে আমাদের কে এক রকম বলা হচ্ছে আর জেলার আধিকারিকরা আমাদের সম্পূর্ণভাবে চাপে ফেলে হেনস্তা করা হয়েছে এর জন্যই প্রচুর বি এল মারা গেছে এমনকি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। এই পরিস্থিতি চললে আগামী দিনে আমার কি হবে আমি জানিনা।
কত দুদিন আগে একটি অ্যাপে একটি রি +ভেরিফাই এর অপশন দেওয়া হয়। সেখানে নামের অসংগতি থাকলে সেগুলো রি+ভেরিফাই করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ সারাদিন ধরে আধিকারিকরা কিছুই বলতে পারেননি। সন্ধ্যের পর বলেন “নো একশন রিকোয়ার”করে দিন। যদি কোন সমস্য হয় এর জন্য পুরো দায় বি এল ওদের উপর চাপানো হচ্ছে। প্রচন্ডভাবে মানসিক চাপ দেওয়া হচ্ছে আমাদের উপর। বি অল ওদের স্বার্থে আন্দোলন করছি বলেই আমাকে রিমুভ করা হলো গ্রুপ থেকে। উনারা কি চান না আমরা আন্দোলন করি?
পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরওকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে এই বিষয়ে তিনি কিচ্ছু বলতে চাননি।
বাইট
১ সোনালী ব্যানার্জী/বিএলও ১৯৬বুথ, পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্র।
FTP