Mamata Banerjee: ‘বাংলাদেশি প্রমাণ করে দিচ্ছে’, হাতে মতুয়া কার্ড নিয়ে বুঝিয়ে দিলেন মমতা – Bengali News | ‘Why there is written that they were Bangladeshi citizens?’ CM Mamata Banerjee raises question over Matua cards
বনগাঁয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: TV9 Bangla
বনগাঁ: মতুয়াদের পাশে কারা? এসআইআর আবহে রাজনৈতিক দলগুলি দাবি করছে, মতুয়াদের পাশে তারাই রয়েছে। আবার বিভিন্ন জায়গায় সিএএ ক্যাম্প শুরু হয়েছে। ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া কার্ড দেওয়ার জন্য বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ক্যাম্পও করেন। আর এসআইআর আবহে বনগাঁয় প্রথম রাজনৈতিক সভায় সেই মতুয়া কার্ডের লেখা নিয়েই সরব হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মতুয়াদের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “এখন আপনাকে সার্টিফিকেট দিয়ে বাংলাদেশি প্রমাণ করে দিচ্ছে।”
এসআইআর আবহে ঠাকুরবাড়িতে ক্যাম্প করে মতুয়া কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। সেই কার্ড দেওয়ার জন্য ১০০ টাকা নেওয়া নিয়ে এদিন সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তেমনই ওই মতুয়া কার্ডের লেখার উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, “মতুয়া মহাসভার নামে নিশ্চয়ই আপনারা ধর্মীয় কার্ড নিতে পারেন। সেটা আপনার নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু, ১০০ টাকা নিয়ে লিখতে হল, মতুয়া মহাসংঘের সদস্য করা হল। আর বলছে, এটা নিয়ে গেলেই আপনি ভোটার হয়ে যাবেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় এটা কোথাও লেখা রয়েছে? আগে কথা লিখতে বলুন। আপনাদের প্রতারণা করা হচ্ছে। ওই কার্ডে লিখছে, গ্রহণযোগ্যতা সার্টিফিকেট।”
হাতে মতুয়া কার্ড নিয়ে সেটা পড়ে শোনান মমতা। বলেন, “ওই কার্ডে লেখা হচ্ছে, এই শংসাপত্র যাকে দেওয়া হচ্ছে, তিনি আগে বাংলাদেশি ছিলেন। মানে, আপনাকে এখন সার্টিফিকেট দিয়ে বাংলাদেশি প্রমাণ করে দিচ্ছে। এতে তো আপনাদের আরও ক্ষতি করছে। এসআইআরে ২০০২ সালের ম্যাপিং করছেন, আর সার্টিফিকেট দিচ্ছেন ২০২৫ সালে। মানে আপনাদের প্রমাণ করে দিচ্ছে, আপনারা বাংলাদেশি। আমি শুধু ভাঁওতার কথা বলছি। আর লেখাটার ভবিষ্যৎ কী হতে পারে, সেটা জানাচ্ছি।”
মতুয়াদের পাশে তৃণমূল কংগ্রেস আছে জানিয়ে মমতা বলেন, “অযথা চিন্তা করবেন না। আমরা ছিলাম, আছি, থাকব। নিশ্চিন্তে মায়ের কোলে ঘুমান। আমি আপনাদের পাহারাদার, জমিদার না। দিল্লির নেতারা জমিদার। আমি পাহারাদার। কিছু হলে ছুটে আসব।” এরপরই তিনি বলেন, “আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে এসেছি। একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ দিয়ে পারবে না। আপনাদের কাউকে দেশ থেকে তাড়াতে পারবে না।”
এর আগে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও মতুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, “আমাদের দাবি, শুধু ২০০২ সালের ভোটার তালিকা নয়, ২০১৯, ২০২১ এবং ২০২৪ সালের ভোটার তালিকাকেও যুক্ত করতে হবে। সেই সময় যে মতুয়ারা ভোট দিয়েছিলেন, তাঁদের নাম বাদ দেওয়া যাবে না।”