Rajganj: জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জে বিডিও অফিস চত্বরের ঝোপেই শয়ে শয়ে বৈধ ভোটার কার্ড? – Bengali News | Rajganj Hundreds of valid voter cards in the bushes of the BDO office premises in Rajganj?
বৈধ ভোটার কার্ড উদ্ধারImage Credit: TV9 Bangla
জলপাইগুড়ি: রাজগঞ্জ বিডিও বিতর্কের মধ্যে ওই অফিসের পিছনের জঙ্গল থেকে উদ্ধার প্রচুর ভোটার কার্ড। কে বা কারা এই ভোটার কার্ডগুলি সেখানে ফেলে দিয়েছে তা এখনও রহস্য। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াতকারীরা প্রথমে ভোটার কার্ডগুলো পড়ে থাকতে দেখে খবর দেন। তবে সাফাই কর্মীরা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।
এখন প্রশ্ন উঠছে, সরকারি অফিসের এত কাছেই এত সংখ্যক ভোটার কার্ড এল কোথা থেকে? এগুলো কি ভুলবশত ফেলা হয়েছে, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনও অন্য রহস্য রয়েছে এর পিছনে।
সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বিডিও অফিস চত্বরের ঝোপের মধ্যে যে সকল ভোটার কার্ড উদ্ধার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা যাচ্ছে, এপিক নম্বর একেবারেই বৈধ। এপিক কার্ডে থাকা নাম নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও পাওয়া যাচ্ছে।
এই রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে রয়েছে খুনের মামলাও। এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই রাজগঞ্জেই এই ঘটনা, স্বাভাবিকভাবেই একাধিক প্রশ্ন জাগাচ্ছে। কী উদ্দেশ্যে এত শয়ে শয়ে বৈধ ভোটার কার্ড ফেলে দেওয়া হল, তা সবথেকে বড় প্রশ্ন।
ব্লকের এক কর্মী বললেন, “আসলে অফিস পরিস্কার করা হয়েছে। অনেক পুরনোকাগজপত্র ফেলা হয়েছে।” অর্থাৎ এই ভোটারকার্ডগুলোকে পুরনো কাগজপত্র বলেই উড়িয়ে দিলেন তিনি।
স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “আমরা তো এই কারণেই বারবার নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি। যেহেতু বিডিও অফিসের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন কাজ করে, অনেক পুরনো কার্ডের পরিবর্তে নতুন কার্ড হয়, সেই পুরনো কপি রাখা হয়েছিল কিনা, সেটা খতিয়ে দেখা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।”
বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “রাজগঞ্জের ওই বিডিও হয়েছে চুরির নম্বরে। যেখানে গিয়েছেন, সেখানেই সমস্যা তৈরি করেছেন। ক্ষমতা দেখাতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন।”