Suvendu Adhikari: অর্জুনের ভগ্নিপতি সুনীলের হাতে ‘পদ্ম’ দিলেন শুভেন্দু, নোয়াপাড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের দলবদল নিয়ে বাড়ছে জল্পনা – Bengali News | Former TMC MLA Sunil Singh meets BJP MLA Suvendu Adhikari
শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা সুনীল সিংয়েরImage Credit: TV9 Bangla
নোয়াপাড়া: তিনি অর্জুন সিংয়ের ভগ্নিপতি। একসময় বিজেপিতে গিয়েছিলেন। আবার তৃণমূলে ফিরেছেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই সুনীল সিংকে নিয়ে বাড়ল জল্পনা। তিনি ফের বিজেপিতে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ‘সৌজন্য’ বিনিময়ের ছবি ভাইরাল হতেই এই নিয়ে জল্পনা বেড়েছে।
গতকাল রাতে নোয়াপাড়ার গারুলিয়াতে রাজনৈতিক সভা সেরে ফিরছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং। শুভেন্দুকে দেখে দূর থেকে নমস্কার করেন তিনি। শুভেন্দু তাঁকে দেখতে পেয়েই গাড়ি থামান। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার কাছে যান নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক। সুনীলকে পদ্ম ফুল উপহার দেন শুভেন্দু। হাসি মুখে জড়িয়ে ধরেন। আর বিধানসভার বিরোধী দলনেতার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে দেখা যায় সুনীলকে। এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সুনীলের ফের দলবদল নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
সুনীল ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভগ্নিপতি। অর্জুন সিং বর্তমানে বিজেপিতে রয়েছেন। সুনীল ২০১৯ সালের জুনে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৃণমূলে ফিরে আসেন। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আর মাস সাতেক বাকি। ভোটের আগে কি ফের দলবদল করবেন সুনীল?
দলবদলের জল্পনা অবশ্য খারিজ করে দিলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। তিনি বলেন, “কালকে গারুলিয়ায় বিজেপির মিটিং ছিল। আমি প্রত্যেকদিন ওই এলাকায় বসে থাকি। উনি আমাকে দেখে নাম ধরে ডাকলেন। সেজন্য গিয়ে দেখা করলাম। ২ জনে একসঙ্গে বিধানসভায় ছিলাম। আমরা সবসময় বড়দের সম্মান জানাই। কালকেও করেছি। বিজেপিতে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই আসে না। আর কথা বলা মানেই বিজেপিতে যাওয়া নয়।”
সুনীল সিং
এখনও তিনি তৃণমূল করেন জানিয়ে বলেন, “তাঁর গাড়িতে একটা পদ্মফুল ছিল। তিনি দিলেন। আমি নিলাম। কোনও ব্যাপার নেই। এতে কোনও ইঙ্গিত নেই। বিজেপিতে যাওয়া নিয়ে কথা হয়নি। পদ্মফুলটা বিজেপির একজনকে দিয়ে দিলাম।” এরপরই তাঁর ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য, “রাজনীতিতে সবকিছু সম্ভব। মানুষ যাঁকে চাইবে, তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন। মানুষ চাইলে দিদি চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হবে। আর মানুষ যদি চায় শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হবেন, মেনে নিতে হবে।”