Kunal Ghosh: কাদের শরীরে ‘শাসকের মেদ’? কারা ভুগছেন ‘ঔদ্ধত্যের ভাইরাসে’? কুণালের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট – Bengali News | Kunal ghosh Trinamool leader Kunal Ghosh’s suggestive post against a section of the party
কুণাল ঘোষের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: সামাজিক মাধ্যমে ফের দলের একাংশকে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের। নেতৃত্বের একাংশকে আত্ম সংযমের পাঠ দিলেন কুণাল। তাঁর বক্তব্য, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ঔদ্ধত্যের ভাইরাসে আক্রান্ত হলে, কর্মীরাও বিরক্ত হতে পারেন। শাসকের অর্জিত মেদ বর্জন দরকার। কৃত্রিম বাতাবরণ বর্জিত থাক। তৃণমূল ২৫০-র বেশি দাবি করেই সামাজিক মাধ্যমে দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন কুণাল।
এর আগেই কুণাল ঘোষ সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন। তাতে উল্লেখ করেছিলেন, বৃহত্তর ময়দানে, যেখানেই তিনি খেলতে নামছেন, সেখানেই তিনি ঝাপসা ঝাপসা কিছু একটা লাগছে। এমনকি এও বলেছিলেন, আরজি কর আন্দোলনের সময়ে যাঁরা সেসময়ে চুপ ছিলেন, তাঁরা যদি এখন সক্রিয় হন, কর্মীরা মানবে কেন?
বিশ্লেষকদের মতে, কুণালের এই পোস্ট অত্য়ন্তই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ একদিকে তিনি যেমন দাবি করছেন, তৃণমূল ২৫০টার বেশি আসন পাবে, অন্যদিকে, দলের কোথায় কী সমস্যা রয়েছে তাও তুলে ধরেন। কুণালের মতে, দলের একাংশ কর্মীদের মধ্যে ঔদ্ধত্য বাড়ছে, তাঁদের অহং সরিয়ে রাখতে হবে। একইসঙ্গে তিনি বলছেন, যে স্বাভাবিক আবেগে তৃণমূল কংগ্রেস বেড়ে উঠছে, সেইভাবেই যেন বর্ধিত হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, কোথাও তিনি এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তৃণমূলের অন্দরে একটা কৃত্রিম বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
তৃণমূলের প্রথম জমানায় সিপিএমের বিরোধিতা, লড়াই, আন্দোলনের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন নিজের পোস্টে। কুণাল ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাঁদের দলের একাংশ নেতা থানাকে ব্যবহার করে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
যদিও এই নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “আমি তো ভাবলাম, এটা ওর নিজের আত্মজীবনী লিখেছে। ওনারই কথাবার্তা তো অন্যদের বিরক্তির কারণ নয়। তৃণমূলের রাজনৈতিক মরণকালে হরির নাম করছে।”
অন্যদিকে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, “উনি অভিজ্ঞ মানুষ। উনি যা উপলব্ধি করেছেন, সেটা সঠিক। কারণ সঠিক দলের অনেক নেতাকর্মী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে যে ধরনের অহংকার কিংবা কার্যকলাপ করেন, তাতে নীচু স্তরে কর্মীদের মধ্যে হতাশা-ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এখনও সময় রয়েছে, এগুলো সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে।”