Bankura: পরকীয়ার জেরে টোটো চালক খুন বাঁকুড়ায়? তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য – Bengali News | Police suspect extramarital affairs in toto driver murder case in Bankura, one arrested
প্রাথমিক তদন্তে কী জানতে পেরেছে পুলিশ?Image Credit: TV9 Bangla
বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার বারিকুল থানার লেপাম গ্রামে পেশায় টোটো চালক সুশীল হেমব্রম খুনের ঘটনায় উঠে এল পরকীয়া সম্পর্কের তত্ত্ব। ঘটনার তদন্তে নেমে পুর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ মুর্মুকে। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, বিশ্বজিৎ মুর্মুর স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন সুশীল। তার জেরেই এই খুন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান।
মঙ্গলবার সকালে বাঁকুড়ার বারিকুল থানার লেপাম গ্রামের অদূরে একটি সেচখাল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় সুশীল হেমব্রমের দেহ উদ্ধার হয়। জানা যায়, সোমবার রাতে টোটো নিয়ে রসপাল বাজারে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি সুশীল। তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের পরই ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বারিকুল থানার মাঝেরপাড়া গ্রামের বিশ্বজিৎ মুর্মুর স্ত্রীর সঙ্গে সুশীলের দীর্ঘদিন ধরে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। সুশীলেরও স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি সুশীলকে কেন্দ্র করে বিশ্বজিৎ ও তাঁর স্ত্রীর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। স্ত্রী বিশ্বজিৎকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যান।
বিশ্বজিতের ধারণা হয়, সুশীলের সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকেই ওই টোটো চালকের উপর রাগ গিয়ে পড়ে বিশ্বজিতের। সুশীলকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে বিশ্বজিৎ। সোমবার রাতে সুযোগ পেয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সুশীলকে খুন করে বিশ্বজিৎ গা ঢাকা দেয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিশ্বজিৎ পুর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বরে এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের বাড়িতে লুকিয়ে রয়েছে। গতকাল সেখানে হানা দিয়ে পুলিশ বিশ্বজিৎকে গ্রেফতার করে। বুধবার ধৃতকে খাতড়া মহকুমা আদালতে ধৃতকে পেশ করে সাত দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায়।
কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃতের স্ত্রী
তাঁর স্বামীকে কেন খুন করা হল, তা বুঝতে পারছেন না মৃত সুশীলের স্ত্রী নীলিমা হেমব্রম। বলেন, “কারও সঙ্গে ঝামেলা ছিল না। কেন খুন করা হয়েছে জানি না। বাড়িতে আমার দুটো বাচ্চা আর আমি রয়েছি। আর কেউ নেই। আমাদের সব শেষ হয়ে গেল।”