Botox: বো-টক্সিং আসলে কী? এটা করালেই কি বলিরেখার হাত থেকে মুক্তি? - Bengali News | What is Botoxing, know all about this treatment - 24 Ghanta Bangla News
Home

Botox: বো-টক্সিং আসলে কী? এটা করালেই কি বলিরেখার হাত থেকে মুক্তি? – Bengali News | What is Botoxing, know all about this treatment

Spread the love

বর্তমান সময়ে সৌন্দর্যচর্চায় বো-টক্সিং বহুল পরিচিত নাম। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখে বলিরেখা, সূক্ষ্ম রেখা বা ত্বকের ঢিলে ভাব দেখা দিলে অনেকে এই চিকিৎসার দিকে ঝুঁকছেন। তবে অনেকে ভাবেন বো-টক্সিং মানে শুধু কৃত্রিমভাবে মুখ টানটান করে দেওয়া। যা কিন্তু সম্পূর্ণ সত্যি নয়। বাস্তবে এটি এক বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসা-নির্ভর কসমেটিক প্রক্রিয়া, যা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে করা হয়।

বো-টক্সিং কী?

‘Botox’ শব্দটি এসেছে Botulinum Toxin থেকে। এটি একপ্রকার প্রোটিন, যা বিশেষভাবে পরিশোধিত এবং নিরাপদ মাত্রায় ব্যবহার করা হয়। খুব সূক্ষ্ম ইনজেকশনের মাধ্যমে এটি ত্বকের নিচে পেশিতে প্রয়োগ করা হয়। এর কাজ সেই পেশিকে কিছু সময়ের জন্য শিথিল বা অবশ করে দেওয়া। মুখের পেশি অতিরিক্ত নড়াচড়া করলে, বলিরেখা ও ভাঁজ তৈরি হয়। বো-টক্সিং সেই পেশির নড়াচড়া সাময়িকভাবে কমিয়ে দেয়, ফলে ত্বক মসৃণ ও টানটান দেখায়।

বো-টক্সিং করালে কী কী উপকার পাওয়া যায়?

বলিরেখা কমানো – বো-টক্সিংয়ের সবচেয়ে বড় উপকার হলো চোখ, কপাল, মুখের কোণে যে সূক্ষ্ম ভাঁজ বা বলিরেখা দেখা দেয়, তা অনেকটাই হ্রাস পায়। ফলে মুখ আরও তরুণ ও সতেজ দেখায়।

ত্বকের টানটান ভাব – বয়সের কারণে ত্বক ঢিলে হয়ে গেলে বো-টক্সিং সেই ঢিলে ভাব কমিয়ে ত্বকে টানটান ভাব ফিরিয়ে আনে।

চেহারার উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় – পেশি শিথিল হওয়ার ফলে রক্তসঞ্চালন উন্নত হয়, ত্বক স্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর দেখায়।

মাইগ্রেনের ব্যথা কমে – শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, চিকিৎসা ক্ষেত্রেও বো-টক্স ব্যবহার হয়। অনেক ক্ষেত্রে মাথাব্যথা বা মাইগ্রেন কমাতেও এটি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

অতিরিক্ত ঘাম কমে – যাদের হাতে-পায়ে বা বগলে অতিরিক্ত ঘাম (Hyperhidrosis) হওয়ার প্রবণতা আছে, বো-টক্সিং তাদের জন্য কার্যকর। ইনজেকশন দেওয়া স্থানে ঘামগ্রন্থির কার্যকারিতা সাময়িকভাবে কমে যায়।

কতদিন স্থায়ী হয়?

বো-টক্সিং স্থায়ী সমাধান নয়। সাধারণত ৪–৬ মাস পর্যন্ত এর প্রভাব থাকে। এরপর আবার প্রয়োগ করতে হয়। মনে রাখবেন, এটি অবশ্যই প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে করানো উচিত। ভুলভাবে প্রয়োগ করলে মুখের অভিব্যক্তি অস্বাভাবিক দেখাতে পারে বা সাময়িক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *