Haldia: বাড়িতে ডাকত পড়শি ‘দাদু’, নাবালিকার পেট ফুলতেই সবটা সামনে এল – Bengali News | Minor girl physically harassed by a man in Haldia
হলদিয়া: দাদু বলে ডাকত। তাঁর বাড়িতে খেলতে যেত। আর প্রতিবেশী সেই দাদুর বিরুদ্ধেই খাওয়ার লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। নাবালিকাকে মাঝে মাঝে টাকাও দিতেন অভিযুক্ত। ধর্ষণের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে নাবালিকা। ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক। ঘটনাটি পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া পৌরসভা এলাকার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী বলে বিজেপির অভিযোগ। তবে রাজ্যের শাসকদলের বক্তব্য, অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই।
পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা নাবালিকা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। নির্যাতিতার বাবা একটি মামলায় বেশ কিছুদিন জেলে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সুযোগে নাবালিকাকে খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করতেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। বাড়িতে ডেকে নির্যাতন করতেন। মাঝে মাঝে নাবালিকাকে টাকাও দিতেন। নাবালিকার পেট ক্রমশ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসককে দেখান পরিবারের লোকজন। তখনই নাবালিকার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। বাবা-মাকে সব খুলে নাবালিকা। তখন তার পরিবার অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে যায়। বিষয়টি টাকা দিয়ে মিটমাট করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। তবে এই নিয়ে শোরগোল পড়তেই বাড়ি ছেড়ে পালান তিনি।
নাবালিকার পরিবার ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। গতকাল হলদিয়া মহকুমা আদালতে গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয় ওই নাবালিকার। এখন নাবালিকাকে সরকারি হোমে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার ও প্রতিবেশীরা।
বছর পঞ্চান্নর অভিযুক্ত ব্যক্তি সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করেন বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, অভিযুক্ত ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী হওয়ায় এলাকায় প্রভাব দেখাতেন। আর সেই প্রভাব খাটিয়ে এই দুষ্কর্ম করেছেন। বিজেপির অভিযোগ খারিজ করে তৃণমূলের বক্তব্য, ওই ব্যক্তি তৃণমূলের কেউ নন। আইন তার নিজের পথে চলবে। নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে শাসকদল।