EPFO Account: হঠাৎ দরকারে PF অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলবেন? কোন ফর্ম জমা দিতে হবে, জেনে নিন… – Bengali News | EPFO Account: Planning to Withdraw Money From EPF Account for Emergency? Know Which Form to Use for which Reason
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: Avishek Das/SOPA Images/LightRocket via Getty Images)
নয়া দিল্লি: চাকরিজীবীদের অন্যতম ভরসা হল ইপিএফ অ্যাকাউন্ট (EPF Account)। এর গুরুত্ব কতটা, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রতিটি চাকরিজীবীর ভবিষ্যতের সঞ্চয় জমে প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে (Provident Fund)। অবসরের পর পাওয়া যায় মোটা অঙ্কের টাকা। তবে বিশেষ প্রয়োজন পড়লে, কর্মরত অবস্থাতেও ইপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে তোলা যায় টাকা। এই বিষয়ে কম-বেশি অনেকের ধারণা থাকলেও, কোন ক্ষেত্রে কোন ফর্ম ব্যবহার করতে হয়, তা জানেন না অনেকেই। ফলে পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতেও সমস্যা হয়।
পিএফ অ্যাকাউন্টে কত টাকা জমা পড়ল, তা যেমন জানা দরকার। তেমনই কীভাবে প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তোলা যায়, অ্যাকাউন্ট কীভাবে ট্রান্সফার করতে হয়, কীভাবে পেনশনের আবেদন করবেন, তাও জানা দরকার।
পিএফের কোন ফর্ম কী কাজে লাগে?
অ্যাডভান্সড উইথড্রল-
যদি আপনি এখনও চাকরি করেন এবং পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে চান, তাহলে কম্পোসিট ক্লেম ফর্ম (Composite Claim Form) ব্যবহার করতে হয়। এই ফর্মের আবার দুটি ভাগ রয়েছে, আধার ও নন-আধার। যদি ইউএএন পোর্টালে আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেল ও ফর্ম ১১ আপডেট করা থাকে, তাহলে আধার ভিত্তিক কম্পোসিট ক্লেম ফর্ম দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। সরাসরি ইপিএফও অফিসে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন। এর জন্য এমপ্লয়ার অর্থাৎ যে অফিসে আপনি চাকরি করছেন, তার অ্যাটেস্টেশনের প্রয়োজন পড়ে না।
এলআইসি-
যদি ইপিএফও অ্যাকাউন্ট দিয়ে এলআইসি(LIC)-র বিমা করাতে চান, তাহলে ফর্ম ১৪ ব্যবহার করুন।
মাসিক পেনশন-
১০ বছর কাজ করার পর মাসিক পেনশনের আবেদন করা যায়। এর জন্য ১০ডি (10D) ফর্ম ব্যবহার করুন।
যদি ১০ বছরের কম কাজ করে কেউ পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে চান, তাহলেও কম্পোসিট ক্লেম ফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
পিএফ অ্য়াকাউন্ট ট্রান্সফার-
চাকরি ছেড়ে দেন এবং অন্য সংস্থায় যোগ দেন, তাহলে নিজের পিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের জন্য ফর্ম ১৩ লাগবে।
যদি আপনি আর চাকরি না করেন, তাহলে পিএফ অ্যাকাউন্টে ফাইনাল সেটেলমেন্ট করা যায়। এর জন্য চাকরি ছাড়ার পর দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে। তারপর কম্পোসিট ক্লেম ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
যদি আপনি ১০ বছর চাকরি করার পর চিরতরে চাকরি ছেড়ে দেন, তাহলে পেনশন ফান্ড থেকে স্কিম সার্টিফিকেটের আবেদনও করতে পারেন।
যদি কোনও ব্যক্তির ৫৮ বছর হওয়ার আগেই মৃত্যু হয়, তাহলে ফাইনাল সেটেলমেন্টের জন্য ফর্ম ২০ জমা দিতে হবে। যদি এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যরা মাসিক পেনশনের সুবিধা নিতে চান, তাহলে ১০ডি ফর্ম দিয়ে আবেদন করতে হবে।
ইডিএলআই স্কিমের অধীনে যদি বিমার ক্লেম করতে চান, তাহলে ৫আইএফ (5IF) ফর্মে আবেদন করতে হবে।