SSC Case in Supreme Court: ‘শনিবারের মধ্যেই দাগি অযোগ্যদে তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা’, সুপ্রিম কোর্টে রেকর্ড করা হল কল্যাণের বক্তব্য – Bengali News | List of ineligible candidates likely to be released by Saturday 29 August says by Advocate Kalyan Banerjee in supreme court
সুপ্রিম কোর্টে কল্যাণ
Image Credit: Tv9 Bangla
নয়া দিল্লি: বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার বলেছিল, ‘আগামী সাত দিনের মধ্যে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে।‘ শুক্রবার শুনানি চলাকালীন ফের একই প্রসঙ্গ উঠল কোর্টে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও রেকর্ড করতে হল তাঁর বক্তব্য। এদিন, আদালতে নিজের বক্তব্য রেকর্ড করে আইনজীবী বলেছন, এসএসসি পরীক্ষায় বসতে পারবে না কোনও চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্ত (tainted candidate)।
কোর্টের সওয়াল-জবাব
আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা স্থগিত করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের আবেদন ছিল তাঁরা যোগ্য প্রার্থী। শুনানির সময় মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এখনও অযোগ্যদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হচ্ছে। এই মামলার শুনানি চলছে এখন আদালতে। গতকালের পর আজও চলছিল শুনানি। সেই সময় কোর্টে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, “যদি কোনও চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্ত ঘটনাচক্রে অ্যাডমিট কার্ড পেয়েও যায় তার পরীক্ষা বাতিল করা হবে। পরীক্ষার পর ধরা পড়লেও খারিজ করা হবে তাঁকে।” এর পাশাপাশি শুনানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব আইনজীবীকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আবেদন করেন, “আপনারা যদি জানতে পারেন এমন কোনও চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্ত অ্যাডমিট কার্ড পেয়েছেন, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড-কে চিঠি লিখে জানান।”
এরপরই বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নিজের বক্তব্য রেকর্ড করান।” কল্যাণ অন রেকর্ড বলেন, “যদি কোনও চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্ত ঘটনাচক্রে অ্যাডমিট কার্ড পেয়েও যান, তাঁর পরীক্ষা বাতিল করা হবে। পরীক্ষার পর ধরা পড়লেও খারিজ করা হবে তাঁকে।” তিনি বলেন, ” আমাদের উপর ভরসা রাখুন।” পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে কল্যাণ জানান, আগামিকালের (শনিবার) মধ্যেই চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্তদের নামের তালিকা প্রকাশ করার চেষ্টা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ৪৫ শতাংশ নম্বর পাওয়ার পর অনেকে নবম দশমের পরীক্ষার জন্য আবেদন করলেও একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির জন্য আবেদন করতে পারছেন না, এই অভিযোগ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন কয়েকজন চাকরি প্রার্থী। একই সঙ্গে অযোগ্যরা অ্যডমিট কার্ড পেয়ে যাচ্ছেন এই অভিযোগও তোলা হয়।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “সকলকেই পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হচ্ছে।” কোর্টের নির্দেশ, “যাঁরা আবেদন জমা দিতে পারেননি, তাঁরা ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সশরীরে গিয়ে হার্ডকপি জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।” গতকালের পর এদিনও পরীক্ষা স্থগিতের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।