Lakshmir Bhandar: চার বছর ধরে দীপিকার লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা ঢুকছিল দেবাশিসের অ্যাকাউন্টে! উপভোক্তার মৃত্যু হতেই দেবাশিস যা করলেন… – Bengali News | Lakshmir bhandar Money from Deepika’s Lakshmir Bhandar has been flowing into Debashis’ account for 4 years!
বাঁ দিকে দীপিকা, ডান দিকে দেবাশিস Image Credit source: TV9 Bangla
উত্তর ২৪ পরগনা: যাকে বলে আরকী উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে! প্রায় চার বছর ধরে এক উপভোক্তার লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পড়ছে অন্যের অ্যাকাউন্টে। সম্প্রতি ওই উপভোক্তার মৃত্যু হয়েছে। তারপরও টাকা যাচ্ছে অন্যের অ্যাকাউন্টেই। মাসের পর মাস সেই ব্যক্তিও দিব্যি টাকা তুলে নিচ্ছেন। উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার গন্ধর্বপুরের বাসিন্দা দীপিকা দাস। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন। মাসের পর মাস কেটে গেলেও তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা পড়ছিল না। এরপর দীপিকা দাস বিডিও অফিসে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর টাকা দেবাশিস বাছার নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পড়ছে। দেবাশিসও সেই টাকা তুলে নিচ্ছেন। দীপিকা বিডিও অফিসে দুবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি।
জানা যায়, দেবাশিস বাছার পাশের গ্রামেরই বাসিন্দা। তাঁরই অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে। এরইমধ্যে গত জুন মাসে মৃত্যু হয় দীপিকা দাসের। তারপরেও তাঁর লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা ঢুকছে দেবাশিসের অ্যাকাউন্টেই ।
মৃত দীপিকা দাসের স্বামী বলেন, “আমার একটাই অনুরোধী, আমার স্ত্রীর প্রাপ্য টাকা আমিই যেন পাই। স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু এই ২ মাসও দেবাশিসের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে। সেই টাকাটা সরকার নিয়ে নিক।”
মৃতের শাশুড়ি বলেন, “আমার বৌমার অ্যাকাউন্টের টাকা প্রথম থেকেই এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ঢোকে। অনেকবার বলেছিল ও। কিন্তু এখনও কিছু হয়নি।”
যদিও যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই দেবাশীষ বাছার অনেক জল গুলিয়ে অবশেষে স্বীকার করেন যে তিনি ফাল্গুন মাসে টাকা ফিরিয়ে দেবেন। তিনি বললেন, “আমিও অনেকবার বলেছি, আমার ওই টাকার প্রয়োজন নেই। ওরা বলেছিল অ্যাকাউন্ট নম্বর ঠিক করে দেব, কিন্তু দেয়নি।”
আর এই বিষয়ে বাদুড়িয়ার ব্লক আধিকারিক পার্থ হাজরা বলেন, “আমি একটা প্রথম শুনলাম। আমি দেখছি। অবশ্যই তদন্ত করে পদক্ষেপ করব।”
