Abhishek Banerjee: ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদত্য়াগ করবেন? এফিট ডেফিট দিয়ে বলুন’, চ্যালেঞ্জ অভিষেকের – Bengali News | Abhishek banerjee Will the Chief Election Commissioner resign? Say it with affidavit gesture: Abhishek
CEO-কে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরImage Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: ‘ভোট চুরি’ বিতর্কে এবার সরব তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ইন্ডিয়া অ্যালায়েন্সের শরিক রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়ালেন, সঙ্গে এক হাত নিলেন নির্বাচন কমিশনারকেও। এফিট ডেফিট নির্দেশের বিষয়টিকে ইস্যু করে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করলেন, “নির্বাচন কমিশন বলছে, এক সপ্তাহের মধ্যে এফিট ডেফিট জমা দিতে হবে, কিন্তু কেন? দায় তো নির্বাচন কমিশনের। বিহারে SIR করছে, তাতে ৬৫ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আছে তো এফিট ডেফিট দিয়ে বলবে, যদি কোথাও কোনও গড়মিল থাকে, তাহলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদত্য়াগ করবেন? তাহলে সেটা এফিট ডেফিট দিয়ে বলুক।” তিনি চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন, “যদি নির্বাচন কমিশনার এফিট ডেফিট দেন, তাহলে আমি বলছি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলিও এফিট ডেফিট দেবে।”
বিহারে এসআইআর-এ ৬৫ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এসআইআর নিয়ে দেশ জুড়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই বিতর্কের আবহে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলেছেন। রবিবার দিল্লি থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার , দাবির সপক্ষে এক সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আর সেই বিষয়টি নিয়েই সরব হন অভিষেক।
এসআইআর প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে কমিশনের দাবি, ভোটার তালিকাকে ত্রুটিমুক্ত করাই এই প্রক্রিয়ার লক্ষ্য। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল এটির বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। অভিষেকের ব্যাখ্যা, নির্বাচন কমিশনের গাইড লাইন দেখলে কোনওরকম কোনও এফিট ডেফিটের প্রয়োজন পড়ে না। যদি ইলেক্টোরাল রোলে কোথাও কোনও গড়মিল হয়, সেখানে ‘সুয়োমোটো কগনিজেন্স’ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ERO-র তদন্ত করার ক্ষমতা রয়েছে।
তিনি আবারও দাবি তোলেন, যদি সত্যিই ভোটার তালিকায় গড়মিল থাকে, তাহলে তো এই তালিকা অনুযায়ীই, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন হয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই নির্বাচন বাতিল করে, গোটা দেশে আবারও নির্বাচন করা হোক।
