Kolkata Metro-Jai Hind: ১৪ হাজার বর্গমিটার জুড়ে স্টেশন, থাকছে ৬টি লিফট, এয়ারপোর্টে এশিয়ার অন্যতম বড় মেট্রো স্টেশনে কী কী থাকছে – Bengali News | Jai Hind station of Kolkata Metro is ready, biggest platforms have 5 platforms, 6 lifts, know all the features
কলকাতা: শহর ও শহরতলি থেকে মেট্রোতে চেপে চলে যাওয়া যাবে কলকাতা এয়ারপোর্টে। শুরু হয়ে গিয়েছে সেই কাউন্টডাউন। আগামী ২২ অগস্ট ওই মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সূত্রের খবর, নোয়াপাড়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দরের ওই রুটের মেট্রোতে নিজে উঠবেন তিনি। তার আগে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে বিমানবন্দর সংলগ্ন জয় হিন্দ মেট্রো স্টেশন। কলকাতা তো দূরের কথা, এশিয়ার সবেকে বড় মেট্রো স্টেশনগুলির মধ্যে একটি এই ‘জয় হিন্দ’। ১৪৬৪৫ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছে এই বিমানবন্দর।
একদিকে ব্লু লাইন অর্থাৎ কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর লাইনের যাত্রীরা নোয়াপাড়া স্টেশনে নেমে আবার নোয়াপাড়া থেকে বিমানবন্দর যেতে পারবেন মেট্রোতে। এছাড়া পরবর্তীতে নোয়াপাড়া-বিমানবন্দর রুটের সঙ্গে একদিকে জুড়ে যাবে কবি সুভাষ বা নিউ গড়িয়া, অন্যদিকে জুড়ে যাবে বারাসত। অর্থাৎ পুরো রুটটা চালু হয়ে গেলে, বহু যাত্রী যাতায়াত করবেন এই স্টেশনের মাধ্যমে।
কেমন হচ্ছে এশিয়ার অন্যতম বড় এই মেট্রো স্টেশন-

মাটি থেকে প্রায় ১৪ মিটার নীচে মেট্রো স্টেশনটি তৈরি করা হয়েছে।
মেট্রো স্টেশন থেকে থাকছে ৫টি প্ল্যাটফর্ম। সেগুলি এক একটি ১৮০ মিটার দীর্ঘ। দুটি প্ল্যাটফর্ম থাকছে বারাসত লাইনের জন্য, দুটি প্ল্যাটফর্ম থাকবে কবি সুভাষ লাইনের জন্য, আর একটি প্ল্যাটফর্ম থাকছে ব্যাক আপের জন্য।
নোয়াপাড়া থেকে বারাসত পর্যন্ত এবং কলকাতা বিমানবন্দর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ মেট্রো পরিষেবা শুরু হয়ে গেলে ৩ এবং ৪ প্ল্যাটফর্ম চালু হয়ে যাবে।
এই জয় হিন্দ মেট্রো স্টেশনে থাকছে মোট ৫টি গেট। এর মধ্যে ১ নম্বর গেটটি একেবারেই বিমানবন্দরের গেটের মুখে থাকছে। ২ নম্বর গেট থাকছে ট্যাক্সি পার্কিং স্ট্যান্ডের কাছে। অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে নেমে সহজেই মেট্রোতে উঠতে পারবেন যাত্রীরা।

৩ এবং ৪ নম্বর গেট থাকছে কলকাতা বিমানবন্দরের আড়াই নম্বর গেট এবং পুলিশ ব্যারাকের অংশের দিকে। এয়ারপোর্টের ৫ নম্বর গেটটি যশোর রোডের একদম নিকটে থাকছে। যাতে বাস থেকে নেমেই সাবওয়ে ব্যবহার করে মেট্রোতে পৌঁছে যেতে পারেন সাধারণ মানুষ।
জয় হিন্দ মেট্রো স্টেশনে থাকছে ৬টি সিঁড়ি, ৬টি লিফ্ট, ৯টি চলমান সিঁড়ি বা এসক্যালেটর।
বিমানবন্দরের দিকে যে সাবওয়ে থাকবে, সেখানে থাকছে ৩টি সিঁড়ি, ৪টি লিফট, ৬টি এসক্যালেটর।

যশোর রোডের দিকে থাকা সাবওয়েতে থাকছে ২টি সিঁড়ি, ২টি লিফট, ৩টি এসক্যালেটর।
বিমানবন্দরের দিকে থাকছে ৩৩০ মিটার লম্বা এবং ১১ মিটার চওড়া সাবওয়ে। যশোর রোডের দিকে সাবওয়ে ২৭০ মিটার লম্বা এবং ১৩ মিটার চওড়া।
বৃহৎ মেট্রো স্টেশন ছাড়াও তৈরি করা হচ্ছে ৪৮ মিটার ইয়ার্ড, যা দেশের মধ্যে বৃহত্তম। থাকছে ৭টি লাইন।