'৭ মাস তদন্ত রিপোর্ট দেয়নি CBI', সুপ্রিম কোর্টে বলল আরজি কর নির্যাতিতার পরিবার, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘৭ মাস তদন্ত রিপোর্ট দেয়নি CBI’, সুপ্রিম কোর্টে বলল আরজি কর নির্যাতিতার পরিবার, বাংলার মুখ

Spread the love

আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে বারংবার প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিতার মা-বাবা। আর এবার সুপ্রিম কোর্টে তাঁরা অভিযোগ করলেন, ৭ মাস ধরে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কিত রিপোর্ট সিবিআই জমা দেয়নি। উল্লেখ্য, গতবছর ৯ অগস্ট আরজি করের সেমিনার হলে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল ট্রেনি জুনিয়র ডাক্তারকে। পরিবারের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে খুনে একজন জড়িত নয়। আরও অনেকে জড়িত রয়েছে। এই আবহে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ৭ অক্টোবর। (আরও পড়ুন: ‘কিছু হলেও মিটিয়ে দিন’ বলার মানে তো ভিক্ষা! ডিএ মামলায় ‘অপমানিত’ সরকারি কর্মীরা)

আরও পড়ুন: আছে এপিক কার্ড, তবে সন্ধান নেই ভোটারের! আজব কাণ্ড বাংলার এই বিধানসভা কেন্দ্রে

এদিকে সম্প্রতি অভিযোগ করা হয়, আরজি কর মামলায় তদন্তকারী অফিসার বিনীত গোয়েলের ব্যাচমেট। এই নিয়ে নির্যাতিতার আইনজীবী বলেছিলেন, ‘বিনীত গোয়েল সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসারের ব্যাচমেট বলেই কি তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত হচ্ছে না?’ তবে সিবিআই সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কার্যত ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে বিনীত গোয়েলকে।

আরজি কর খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া সঞ্জয় রায় আবার সম্প্রতি নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। সঞ্জয় রায়ের দাবি, তাকে বেকসুর খালাস দিতে হবে এই মামলায়। উল্লেখ্য, এর আগে আরজি কর কাণ্ডে শুধুমাত্র সঞ্জয় রায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে আদালতে। ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় শুধুমাত্র সঞ্জয়কে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করেই চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। এই আবহে সিবিআই তদন্তে ‘অসন্তোষ’ প্রকাশ করেছিলেন নির্যাতিতার মা-বাবা। তাদের বরাবর দাবি, নির্যাতিতার খুনি এখনও আরজি করের চেস্ট মেডিসিন ডিপার্টমেন্টেই আছে।

উল্লেখ্য, গত ২০ জানুয়ারি শিয়ালদা আদালতে আরজি কর মামলায় চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা শোনান বিচারক অনির্বাণ দাস। এদিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমনা দিতে হবে সঞ্জয় রায়কে। এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি আদালতের তরফ থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৩ (ধর্ষণ), ৬৪ (ধর্ষণের সময় এমন ভাবে আঘাত করা, যাতে মৃত্যু হয়), ১০৩ (১) নং (খুন) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। এই আবহে সঞ্জয়কে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ ধারার আওতায় সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ৬৬ ধারায় আওতায় আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ১০৩ (১) ধারার আওতায় সশ্রম যাবজ্জীবনের সাজা ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারক। এদিকে বিচারক নির্দেশ দিয়েছিলেন, নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রাষ্ট্রকে। বিচারক বলেছিলেন, এই মামলা বিরলের থেকে বিরলতম নয়। যদিও সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে আদালতে জোর সওয়াল করেছিল সিবিআই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *