Malda: দরকার ছিল A পজেটিভ, রোগীর শরীরে গেল ৩ প্যাকেট B পজেটিভ রক্ত! ভয়ঙ্কর ঘটনা মালদহে – Bengali News | A positive was needed, but B positive Blood given, such a serious allegation that has been raised in Malda
মালদহ: দরকার ছিল এ পজেটিভের, কিন্তু রোগীর শরীরে গেল বি পজেটিভ। এ এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে মালদহে। ঘটনা চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। নাম জড়িয়েছে ব্লাড ব্যাঙ্কেরও। শোরগোল শুরু হতেই তদন্ত শুরু করেছে স্বাস্থ্য দফতর। যে মহিলার সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে তাঁর অবস্থাও রীতিমতো আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে।
গত শুক্রবার রতুয়ার কয়লা পাথার গ্রামের কহিনুর বিবিকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে তাঁর পরিবার। তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। সে কারণেই আনা হাসপাতালে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ শুরু থেকেই ভুল চিকিৎসা হচ্ছিল। হাসপাতালের চিকিৎসক রোগীর রক্ত পরীক্ষা না করেই জানান বি পজেটিভ রক্ত প্রয়োজন। শোনা মাত্রই রক্তের খোঁজ শুরু করে দেন পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে সুরাহা হয়। ব্ল্যাড ব্যাঙ্কে গিয়ে রক্ত দেন রোগীর পরিজনরা। সঙ্গে আরও দু’জনের রক্তদানের শংসাপত্র দেখানো হয়। তারপরই শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায় বি পজেটিভ রক্ত।
রক্ত ক্ষরণের জেরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।অভিযোগ, হাসপাতালের চিকিৎসক রোগীর রক্ত পরীক্ষা না করেই জানান বি পজেটিভ রক্ত প্রয়োজন। সেই রক্তের জন্যে তাঁরা ছোটাছুটি করেন। অবশেষে ব্লাড ব্যাঙ্কে পরিবারের সদস্যরা রক্ত দান করে, এবং অন্য আরও দুজনের রক্ত দানের শংসাপত্র দেখিয়ে বি পজিটিভ রক্ত যোগার করেন।
এরপরই চিকিৎসক পরপর সেই তিন প্যাকেট বি পজেটিভ রক্ত কোহিনুর বিবির শরীরে প্রয়োগ করেন। অভিযোগ, ঠিক এরপরই কোহিনুর বিবির অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে শুরু করে। তখনই পরিবারের সদস্যরা একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে কোহিনূর বিবির রক্ত পরীক্ষা করান। জানা যায় আসলেই তাঁর এ পজেটিভ রক্ত। ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের হয়। হাসপাতালের সুপার ইনচার্জ ডাঃ মোহাম্মদ সামিম বলছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।