Bengali harassment: আটক হওয়া পরিযায়ী শ্রমিকরা কি সত্যিই বাংলার? মমতার কাছে চিঠি হরিয়ানা সরকারের – Bengali News | Are the detained migrant workers really from Bengal? Haryana government writes to Mamata Banerjee
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রীImage Credit source: Tv9 Bangla
কলকাতা: হরিয়ানায় আটকে আট বাঙালি। তাঁরা প্রত্যেকে মালদহের বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই আটক হওয়া এই পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবার সরব হয়েছে। তাঁদের দাবি, বাংলা কথা বলার জন্য আটক করা হয়েছে। মালদহের এই পরিযায়ী শ্রমিকদের যে হরিয়ানায় আটকে রাখা হয়েছে তা মেনে নিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। অন্যদিকে, আটক হওয়া বাঙালিদের পরিচয় জানতে চেয়েছে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়েছে হরিয়ানা সরকার। তেমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বাংলাদেশি ভেবে আজ আরেকটি চিঠি এসেছে হরিয়ানার গুরগাঁও থেকে অনেকগুলো নাম দিয়ে জেলাশাসকদের বলা হয়েছে। মালদহ, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর জেলা , দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বেছে বেছে মানুষদের সঙ্কটে ফেলার চেষ্টা করছে।” মুখ্যমন্ত্রী গতকাল আশ্বাস দিয়ে বলেন, “আমরা বলব ভয় পাবেন না। এ ভাবে ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ দিয়ে অন্য রাজ্যের মতো ভোটে জিতবেন না, সেটা হবে না। এটায় ৫২ জনের নাম আছে।”
এ দিকে, এই বিষয়টি মেনে নিয়েছেন খগেন মুর্মু। তিনি বলেন, “বাংলা থেকে দলে দলে পরিযায়ী শ্রমিক যাচ্ছে। সেই কারণে ভিন রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। আর যাঁরা হরিয়ানায় আটক তাঁদের কাছে যদি সত্যিই বৈধ কাগজপত্র থাকে, তাঁরা যদি মালদহের বাসিন্দা হন আমার কাছে যদি তাঁরা সাহায্য় চান তাহলে অবশ্যই আমি সাহায্য করব।” তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন বলেন,”সংবিধানের স্বীকৃত ভাষা বাংলা। এই বাংলা বলেই হেনস্থার স্বীকার হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকরা।”
বস্তুত, মালদহের চাঁচল ১ ও চাঁচল ২ ব্লকের প্রায় ৮ জন পরিযায়ী শ্রমিক হরিয়ানার গুরগাঁওতে আটক হয়। থানার অদূরে ওই শ্রমিকদের একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছে বলে দাবি। আটক শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন মালদহের চাঁচল ২ ব্লকের চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সায়েদ আলী এবং লালটু হোসেন। হারিয়ানার গুরগাঁওতে শ্রমিকের কাজ করেন তাঁরা।অভিযোগ, গত রবিবার হঠাৎই সেখানকার পুলিশ তাঁদের ভাড়া বাড়িতে তল্লাশি চালায়। আধার কার্ড সহ একাধিক সচিত্র পরিচয় পত্র নিয়ে লালটু হোসেন এবং সাইদ আলিকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য তাদেরকে আটক করে নিয়ে গিয়েছে।