Cooperation Bank: নির্বাচনে কেবল শাসকদলেরই মনোনয়ন জমা, ১০ দিনে ব্যাঙ্ক থেকে গ্রাহকরা তুললেন ২ কোটি টাকা! কেন? - Bengali News | Cooperation bank only the ruling party filed nominations in the elections customers withdrew 2 crore taka from the bank in 10 days why - 24 Ghanta Bangla News
Home

Cooperation Bank: নির্বাচনে কেবল শাসকদলেরই মনোনয়ন জমা, ১০ দিনে ব্যাঙ্ক থেকে গ্রাহকরা তুললেন ২ কোটি টাকা! কেন? – Bengali News | Cooperation bank only the ruling party filed nominations in the elections customers withdrew 2 crore taka from the bank in 10 days why

Spread the love

ব্যাঙ্কের ব্যানেজারImage Credit source: TV9 Bangla

পশ্চিম মেদিনীপুর: একটা নির্বাচন। আর তাতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় তৃণমূলের। কিন্তু এই জয়ের পরই সমবায় ব্যাঙ্কে শুরু টাকা তোলার হিড়িক! হিড়িক, কারণ, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই ১০ দিনের মধ্যে ২ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে নিয়েছেন গ্রাহকরা। কিন্তু কেন? কোথায় এর যোগসূত্র?

পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর গৌরা সমবায় সমিতির নির্বাচন। গত ১৭-১৮ জুন এই সমবায় সমিতির নির্বাচনের জন্য নমিনেশন পর্ব চলছিল। সেই সময় গন্ডগোল হয়। অভিযোগ ওঠে, শাসক দল তৃণমূল ছাড়া অন্য কোন দলকে নমিনেশন করতে দেওয়া হয়নি। নমিনেশন জমার দিন দেখা গিয়েছিল ৫৩ টি আসনের মধ্যে ৫৩ টিতেই নমিনেশন করেছে শাসকদল তৃণমূল।

বিরোধীদের দাবি, অন্য কোন রাজনৈতিক দলকে এই সমবায় সমিতিতে নমিনেশন করতেই দেওয়া হয়নি। বিরোধীরা নমিনেশন জমা না দিতে পারায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। আর এই পরিস্থিতিতেই আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেন গ্রাহকরা। ব্যাঙ্কে থেকেই নিজেদের গচ্ছিত অর্থ তুলতে শুরু করেন।

যদিও ওই সমবায় সমিতির ম্যানেজার বলেন, তিনি চেষ্টা করেছেন যাতে গ্রাহকদের  বোঝানো যায়। কিন্তু হাজারও বোঝানোর পরও তিনি ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি।যার কারণে গত ২০ তারিখ থেকে সমবায় ব্যাঙ্কে টাকা তোলার সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

যদিও ম্যানেজার  সৈকত জানা বলেন, ১০ দিনে ২ কোটি টাকা তুলেছেন গ্রাহকরা। এখনও প্রতিদিন লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে টাকা তোলার হিড়িক রয়েছে। তিনি বলেন, “মানুষ ভয়ের কারণেই তুলে নিচ্ছে। ১৭ ও ১৮ নমিনেশন পর্ব ছিল। কিন্তু ১৯ জুন থেকেই গ্রাহকরা টাকা তুলতে শুরু করেছেন। টাকা সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কে জমা থাকে। কিন্তু এইভাবে টাকা উঠতে থাকলে, তা সমিতির খারাপের দিকেই যাবে। ”

এক গ্রাহক বলেন, “এই নির্বাচনে এবার গ্রামের মানুষ যা দেখেছে, তা আগে কখনও দেখেনি। তাই সাধারণ মানুষ মনে করছে, ওরা ক্ষমতায় এলে কী করবে, গচ্ছিত টাকা নিরাপদ মনে করেনি, তাই টাকা তুলে নিচ্ছেন।”

সিপিএম নেতা গণেশ সামন্ত বলেন,  “গ্রাহকরা আসলে যা দেখেছে, তাতে তাঁদের অন্য অভিজ্ঞতা হয়েছে। এতদিন সমিতির নির্বাচন হয়েছে, তাতে তাঁরা পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে। কোনও সিটে শাসকদলের প্রার্থী জিতেছে, কোনও সিটে আবার বিরোধীরা জিতেছে। কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি। এবার বহিরাগতদের আমদানি করে বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দিতেই দিল না।”

যদিও তৃণমূল নেতা কৌশিক কুলোভির দাবি, “সমবায় আইন মেনে চলে। গ্রাহকরা গচ্ছিত টাকা রেখেছিল, তুলতেই পারে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *