TMC: মহুয়ার আপত্তিতে সায় মমতার, কল্যাণকে কালীগঞ্জে প্রচারে যেতে মানা – Bengali News | TMC supremo Mamata Banerjee asks Kalyan Banerjee not to campaign for Kaliganj bypolls due to Mahua Moitra’s objection: Sources
কী নিয়ে দ্বন্দ্ব কল্যাণ-মহুয়ার?Image Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: দু’জনেই রাজ্যের শাসকদলের সাংসদ। কিন্তু, তাঁদের বিবাদ নানা সময় প্রকাশ্যে এসেছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রের সেই দ্বন্দ্ব যে অব্যাহত, তা ফের সামনে এল নদিয়া কালীগঞ্জের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের দুই সাংসদের ‘ঝগড়া’ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রচারে যেতে পারছেন না কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, মহুয়া মৈত্র চান না কল্যাণ প্রচারে আসুন। মঙ্গলবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে বিষয়টি আসে।
মঙ্গলবার বিধায়কদের নিয়ে বিধানসভায় নিজের ঘরে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলোচনা চলছিল নানা বিষয়ে। ঘটনাক্রমে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে উপস্থিত ছিলেন। নানা কথার মাঝখানে কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রসঙ্গ আসে। সূত্রের দাবি, সেইসময় কল্যাণ বলেন, তিনি কালীগঞ্জের উপনির্বাচনে প্রচারে যেতে চান। কিন্তু মহুয়ার ‘ভেটো’-তে যেতে পারছেন না তিনি।
সূত্রের দাবি, কল্যাণের বক্তব্য শোনার পর নাকি মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাকে ফোন করেন। এবং ফোনে যাবতীয় আপডেট নেন। এরপরই কল্যাণকে প্রচারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানান। প্রসঙ্গত, কালীগঞ্জ বিধানসভা যে লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত, সেই কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া। আবার তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতিও তিনি।
এই খবরটিও পড়ুন
কল্যাণের সঙ্গে মহুয়ার দ্বন্দ্ব কেন?
শাসকদলেরই একাংশ বলছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের ডেপুটি লিডার হওয়ার পরই মহুয়া মৈত্র-সহ বেশ কয়েকজন সাংসদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। মূলত অধিবেশনে ভাষণ রাখার সময়সীমা নির্ধারণ নিয়ে গোলমাল বাধে বলে খবর। তাঁকে বক্তব্য রাখার জন্য এত কম সময় কেন ধার্য করা হয়েছে, তা নিয়ে আপত্তি তোলেন মহুয়া। কিছুদিন আগেই সাংবাদিক বৈঠক ডেকে পাল্টা নাম না করে মহুয়াকে তীব্র আক্রমণ করেন কল্যাণ। সূত্রের খবর, সেই ঘটনার রেশ এখনও অব্যাহত। আর তারই প্রতিফলন কালীগঞ্জের উপনির্বাচনে কল্যাণের প্রচারে যাওয়া নিয়ে মহুয়ার আপত্তি। আর কৃষ্ণনগরের সাংসদের আপত্তি এতটাই জোরালো যে তা মেনে নেন স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো।
