Kali Puja Pandal: 'চমকের নামে ধর্মে আঘাত', কালী পুজোর এই প্যান্ডেল ঘিরেই চরম বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে... কেন? | Church Themed Kali Puja Pandal Sparks Controversy in Berhampore, Adhir Chowdhury’s Puja Under Fire - 24 Ghanta Bangla News
Home

Kali Puja Pandal: ‘চমকের নামে ধর্মে আঘাত’, কালী পুজোর এই প্যান্ডেল ঘিরেই চরম বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে… কেন? | Church Themed Kali Puja Pandal Sparks Controversy in Berhampore, Adhir Chowdhury’s Puja Under Fire

Spread the love

বহরমপুর: চার্চের আদলে নির্মিত কালীপুজোর প্যান্ডেলকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হলো বহরমপুরে। শহরের ঐতিহ্যবাহী জজকোর্ট মোড় স্থিত ‘স্যান্টাফোকিয়া’ ক্লাবের ৪৯ তম বর্ষের পুজো ঘিরে এই ক্ষোভের সূচনা। উল্লেখ্য, এই পুজোটি বহরমপুরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর পুজো বলেই এলাকায় বিশেষভাবে পরিচিত।

চলতি বছরে ক্লাব কর্তৃপক্ষ প্যান্ডেলের থিম হিসেবে একটি চার্চের রূপায়ণ করেছে। প্যান্ডেলের অভ্যন্তরে দেবী কালীর প্রতিমা স্থাপন করাকে কেন্দ্র করেই সরব হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। সংগঠনের অভিযোগ, সনাতন ধর্মের আরাধ্যা দেবী মা কালীর পুজোর নির্দিষ্ট শাস্ত্রীয় রীতি, ঐতিহ্য এবং নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরম্পরা রয়েছে। শুধুমাত্র ‘নতুনত্ব’ বা চমক সৃষ্টির তাগিদে অন্য ধর্মের উপাসনালয়ের আদলে মণ্ডপ বানিয়ে দেবীমূর্তি স্থাপন করা হিন্দু ধর্মীয় ভাবাবেগে সরাসরি আঘাত হানে।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতৃত্ব দাবি করেছেন, এর আগেও নানা সময়ে হিন্দু সংস্কৃতির ওপর এমন আঘাত হানা হয়েছে। উদ্ভাবনী ভাবনার অজুহাতে দেবীর মহিমা ও ধর্মীয় সংস্কারকে বিকৃত করে প্রহসনে পরিণত করার চেষ্টা চলছে বলে তাঁরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

এ বিষয়ে ক্লাব কর্তৃপক্ষ বা কংগ্রেস নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পুজোর মুখে এই ধর্মীয় বিতর্ককে কেন্দ্র করে বহরমপুর জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

প্যান্ডেলটা নিয়ে আমাদের আপত্তি রয়েছে। চার্চের আদলে প্যান্ডেল হয়েছে। তার ভিতর মা কালীর আরাধনা করা হয়েছে। মা কালী সনাতন ধর্মের আরাধ্য দেবী। ধর্মীয় ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক পরম্পরা রয়েছে। শুধুমাত্র চমক তৈরির জন্য ধর্মীয় আচারের ওপর আঘাত আনছে. তা আমরা মানছি না।”

কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, “আমি সনাতন শব্দের অর্থ জানি না। আমরা হিন্দু। আমি সকালেও পুজো দিয়েছি। রাতেও নিজের বাড়িতে, পাড়ায় পুজো। কিন্তু আমি আমার ধর্ম পালন করতে গিয়ে অন্য ধর্মকে আঘাত করতে পারব না। আমার হিন্দু ধর্ম শিখিয়েছে, মানুষের মধ্যে দেবতা থাকে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *