ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি এ বার কোন পথে? ভিসানীতি কি নমনীয় হবে? ‘ট্রাম্পের হারে’ জোর চর্চা নয়াদিল্লিতে
বাণিজ্য ও শুল্ক
ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম বাণিজ্য। ট্রাম্পের আগ্রাসী শুল্কনীতির কারণে দু’দেশের সেই বাণিজ্যিক সম্পর্কে গত কয়েক মাসে টানাপড়েনও তৈরি হয়। এক সময়ে ভারতীয় পণ্যের উপরে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপায় আমেরিকা। পরে অবশ্য তা কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়। কিন্তু শুল্ক নিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক এখনও পুরোপুরি মসৃণ হয়নি। রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা এবং ভারতের কৃষিপণ্যের বাজারে আমেরিকার প্রবেশাধিকার—এই দুই বিষয়ই দু’দেশের আলোচনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণে আসায় এ বার ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের শুল্কনীতির কারণে আমেরিকার ব্যবসায়ী, শিল্প সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের উপরে কী প্রভাব পড়ছে, তা খতিয়ে দেখতে পারেন। কারণ, অতিরিক্ত শুল্কের কারণে আমেরিকার সংস্থাগুলির উৎপাদন খরচ ও আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে বলে দাবি। তবে ভারতের উপর থেকে শুল্কের চাপ কমে যাবে, এমনটা ভাবার কারণ নেই। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদেরও নিজস্ব কিছু অবস্থান রয়েছে। বিশেষ করে আমেরিকার বাজারে বিদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার নিয়ে তাঁদের আপত্তি রয়েছে। ফলে ভারতের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূল হলেও, বাণিজ্যিক সমঝোতার পথ সহজ হবে, এ কথা নিশ্চিত করে বলা যায় না।