১২৭ বছরের ক্লাবের চাবি কেড়ে হুমকি অভয়ার মা–র
শনিবারই বিধায়ক রত্না দেবনাথের উদ্যোগে ওই মাঠে বিজয়া সম্মিলনী হওয়ার কথা ছিল। বিকেলে বিধায়ক সেখানে পৌঁছে দেখেন মাঠের গেটে তালা ঝুলছে। বাধ্য হয়ে শিশুদের মাঠের বাইরে মিষ্টিমুখ করিয়ে ফিরে যান তিনি। কিন্তু ক্লাবের উপরে তাঁর বিষোদ্গার বন্ধ হয়নি। ক্লাবের পরিচালন কমিটি না থাকায় দায়িত্বভার নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। প্রাক্তন সম্পাদক রাজা বল পদত্যাগ করার পর ক্লাবের দায়িত্ব তাঁর হাতে এসেছে বলে এ দিন দাবি করেন রত্না। নতুন সভাপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত চাবিও নিজের কাছেই রাখবেন তিনি। বিধায়কর কথায়, ‘তাঁরাই ক্লাবের সমস্ত দায়িত্ব আমার উপর দিয়েছেন। তাই চাবি আমার কাছে থাকবে না কেন?’ নতুন সভাপতি দায়িত্ব নিলেই চাবি দিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রাক্তন সহ সম্পাদক অরুণ রায়চৌধুরীর দাবি, দায়িত্ব হস্তান্তরের পিছনে রয়েছে অন্য ঘটনা। তাঁর অভিযোগ, সদ্য পদত্যাগী সম্পাদক রাজা বলকে মারধর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। অরুণের কথায়, ‘সম্পাদকের উপরে মারাত্মক শারীরিক অত্যাচার হয়েছিল। এলাকার ছেলেরাই মেরেছে। কিন্তু কী কারণে মারল, তার কোনও উত্তর নেই।’ রবিবার ক্লাবের মালি গেট খুলে ভিতরে ঢোকার পর তাঁকে বের করে দিয়ে তালা লাগিয়ে চাবি নিয়ে যাওয়া হয় বলেও অভিযোগ তাঁর। বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন নিয়েও ক্লাব কর্তৃপক্ষকে আগাম কোনও চিঠি দেওয়া হয়নি বলে তাঁর দাবি। ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ক্লাব-বিবাদ হিসেবে দেখতে নারাজ সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্তের অভিযোগ, পানিহাটিতে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া অনেকেই এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিচ্ছেন। তাঁর কথায়, ‘পানিহাটিতে তৃণমূল যা করত, বিজেপি সেই রাস্তাতেই যাচ্ছে।’ ক্লাব পরিচালনা নিয়ে তাঁর বক্তব্য, ‘কোনও একটা ক্লাবের কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে পুলিশে অভিযোগ করতে হয়। বিধায়ক ক্লাবের কমিটি ভেঙে দিতে পারেন না।’