Rahul Gandhi: 'আমার কথা লিখে রাখুন, জ্ঞানেশ পদত্যাগ করবেই', চ্যালেঞ্জ ছু়ড়লেন রাহুল | Rahul Gandhi Calls 2024 Lok Sabha Election ‘Illegal’, Targets CEC Gyanesh Kumar and BJP - 24 Ghanta Bangla News
Home

Rahul Gandhi: ‘আমার কথা লিখে রাখুন, জ্ঞানেশ পদত্যাগ করবেই’, চ্যালেঞ্জ ছু়ড়লেন রাহুল | Rahul Gandhi Calls 2024 Lok Sabha Election ‘Illegal’, Targets CEC Gyanesh Kumar and BJP

Spread the love

নয়া দিল্লি: আরও তপ্ত হচ্ছে দিল্লির মাটি। জ্ঞানেশ বিরোধী সুর চড়ছে চরমে। দিল্লির রামলীলা ময়দানেও নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একই বন্ধনীতে রেখে আক্রমণ শানালেন রাহুল গান্ধী। রামলীলা ময়দানে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে তিনি  হুঙ্কার ছাড়েন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন সম্পূর্ণ ‘অবৈধ’ ছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, এ দেশের মানুষকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জবাব একদিন দিতেই হবে।

ভোট চুরি ও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ

শুরুতেই নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে রাহুল গান্ধী বলেন, জ্ঞানেশ কুমার ও নির্বাচন কমিশনকে যে বার্তা দেওয়ার ছিল, তা দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এতদিনে সেই বার্তা তাঁর কাছে পৌঁছেও গিয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে রাহুলের বার্তা,  দেশের সংবিধানের চেয়ে কেউ বড় হতে পারে না।

এ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে দেশে ভোট চুরি চলছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “১৩ কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে আমাদের ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। অথচ এর পরেই ওরা ১৫ শতাংশ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। আমার কথা লিখে রাখুন, জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতেই হবে। শুধু পদত্যাগ নয়, জ্ঞানেশ কুমারকে জেলে যেতে হবে।”

প্রতিষ্ঠানে দখলদারির অভিযোগ

কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দেশের সমস্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কুক্ষিগত করে রাখার অভিযোগ তোলেন কংগ্রেস নেতা। তিনি বলেন, “দেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠান আজ সরকারের নিয়ন্ত্রণে (captured)। সাধারণ মানুষ তাদের নিজেদের হক ও অধিকার পাচ্ছে না। দেশের সমস্ত সম্পদ ও পরিকাঠামো আদানিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, আর তাদের হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ মকুব করে দেওয়া হচ্ছে।”

দেশের মানুষ ও সংবিধানই আমাদের অগ্রাধিকার

বক্তব্যের শেষে নিজের রাজনীতির দর্শন স্পষ্ট করে রাহুল গান্ধী বলেন, শাসকদল বা বিজেপি-র নেতারা তাঁদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও তাঁরা তাঁদের শত্রু নন। ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের প্রান্তিক মানুষ এবং সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের গলার আওয়াজ ও অধিকার রক্ষা করাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে বড় এবং প্রধান বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *