মা–বোনদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দিন: শুভেন্দু - 24 Ghanta Bangla News
Home

মা–বোনদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দিন: শুভেন্দু

Spread the love

এই সময়, কোচবিহার: মা–বোনেদের দিকে আঙুল তুললে পুলিশ প্রশাসনকে তা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কোচবিহারে ঝটিকা সফরে এসে কড়া ভাবে পকসো আইন প্রয়োগের কথাও বলেন তিনি। এর পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এই জেলায় মাদক কারবার বন্ধ করতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলাদেশে পাচার রুখতে অসম থেকে কয়লা ও সুপারি আসা বন্ধ করা হবে বলেও জানিয়ে দেন শুভেন্দু। কোচবিহারকে ‘টুরিস্ট রিলিজিয়াস হাব’ হিসেবে তৈরি করাই সরকারে লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।

কোচবিহারকে নিয়ে আলাদা রাজ্যের দাবি অনেকটা থিতিয়ে পড়লেও মাঝেমধ্যে কেএলও চিফ জীবন সিংহ ভিডিয়ো বার্তায় কামতাপুর রাজ্যের দাবি জানান। এমনকী, বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ নগেন্দ্রনাথ রায় (অনন্ত মহারাজ)–এর মুখেও কোনও কোনও সময়ে আলাদা রাজ্যের দাবি শোনা যায়। আলাদা রাজ্যের দাবিকে মান্যতা না দিলেও কামতাপুর আন্দেলনকারীদের প্রতি রাজ্য সরকার যে নরম মনোভাব নিয়ে চলতে চায়, মুখ্যমন্ত্রীর এদিন আলোচনার বার্তা থেকে তা পরিষ্কার। যদিও এ দিন শুভেন্দুর বৈঠকে কামতাপুর আন্দোলনের দুই মুখ অনন্ত মহারাজ ও বংশীবদন বর্মনকে দেখা যায়নি। মঙ্গলবার কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কামতাপুরীদের সঙ্গেও আলোচনায় বসতে রাজি রাজ্য সরকার।

কামতাপুর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলন, দাবি এই সমস্ত কিছুই থাকবে। গণতান্ত্রিক দেশ, কথা বলার অধিকার সকলের রয়েছে। আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে কলকাতায় সচিবালয়ে আসুন। মাসে দু’বার উত্তরবঙ্গে আসছি। তাই উত্তরকন্যাতেও এসে কথা বলতে পারেন। কোচবিহারে এসে কথা বলতে হলে, তাতেও রাজি।’ তাঁর সংযোজন, ‘উত্তরবঙ্গের মানুষ দু’হাত তুলে আমাদের ভোট দিয়েছেন। যাঁদের যা দাবি, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।’ প্রশাসনিক বৈঠক শেষে শুভেন্দু জানান, কোচবিহারের উন্নয়নে টাকার কোনও সমস্যা হবে না। মদনমোহন মন্দির সহ উন্নয়ন খাতে দু’কোটি টাকার একটি ডিপিআর তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও বেশি টাকার কাজ হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সংযোগ আরও বাড়ানো হবে।

দেশকে সুরক্ষিত রাখতে হলে কোচবিহারের মতো সীমান্তবর্তী জেলার সীমান্তকে আগে সুরক্ষিত করতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ২০১ একর জমি দেওয়া হচ্ছে। রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমির জন্য বাজেটে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। রাজার জেলায় এখনও পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৯৮ হাজার মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার অধীনে সুবিধা পেয়েছেন বলে শুভেন্দু খতিয়ান দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *