৩৭ লক্ষ আপিল নিষ্পত্তি হতে লাগবে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে ট্রাইব্যুনাল বাড়ানোর আর্জি কমিশনের - 24 Ghanta Bangla News
Home

৩৭ লক্ষ আপিল নিষ্পত্তি হতে লাগবে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে ট্রাইব্যুনাল বাড়ানোর আর্জি কমিশনের

Spread the love

কলকাতা: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ (SIR)-এর জেরে ঝুলে থাকা লক্ষাধিক আপিল মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় নির্বাচন কমিশনের। বর্তমান…

কলকাতা: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ (SIR)-এর জেরে ঝুলে থাকা লক্ষাধিক আপিল মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় নির্বাচন কমিশনের। বর্তমান গতি বজায় থাকলে ৩৭ লক্ষেরও বেশি বিচারাধীন আপিল মেটাতে প্রায় ১২ বছর সময় লেগে যেতে পারে! এই দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতেই সুপ্রিম কোর্টে অতিরিক্ত ট্রাইব্যুনাল গঠনের আর্জি জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আদালতের নির্দেশে গঠিত ট্রাইব্যুনালগুলি এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি করেছে। বর্তমানে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার ২৩৫টি আপিল বিচারাধীন রয়েছে।

কমিশন সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা হলফনামায় জানিয়েছে, গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ট্রাইব্যুনালগুলি কাজ শুরু করার পর মাসে গড়ে প্রায় ২৫,২৩৮টি করে মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে (সপ্তাহের সাত দিনই কর্মদিবস ধরে)। এই গতিতে কাজ চললে পুরো জট কাটাতে ১৪৬ মাস বা প্রায় ১২ বছর সময় লাগবে।

এই বিশাল পরিমাণ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রতিটির জন্য একটি করে অর্থাৎ মোট ৪২টি নতুন ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে কমিশন। বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ও বিচারকদের নেতৃত্বে ১৯টি ট্রাইব্যুনাল এই মামলাগুলি শুনছে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে প্রায় ৭০০ বিচারবিভাগীয় আধিকারিককেও এই কাজে নিয়োগ করা হয়েছে।

কাদের আপিল বেশি এবং কতটা নাম পুনর্বহাল হয়েছে?

মোট ৩৮.৩১ লক্ষ আপিল জমা পড়েছে, যার মধ্যে ২২.২১ লক্ষ আবেদন করেছেন এমন ব্যক্তিরা যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছিল এবং তাঁরা নাম ফেরাতে চান। বাকি ১৬.১০ লক্ষ আপিল জমা পড়েছে অন্যের নাম অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে।

Advertisements


   


   

নিষ্পত্তি হওয়া ১.২৬ লক্ষ মামলার মধ্যে ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৯৪৩টি ক্ষেত্রেই আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে (যা নিষ্পত্তিকৃত মামলার ৯০ শতাংশেরও বেশি)।

নির্বাচন ফলাফলের প্রভাব নিয়ে কমিশনের যুক্তি

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার জেরে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে, এমন দাবি খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, ‘অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত ও দ্বৈত’ (ASD), এই ধরনের এন্ট্রিগুলিকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র বিজয়ী প্রার্থীর ব্যবধানের সঙ্গে ডিলিশন বা বাদ পড়ার সংখ্যা তুলনা করা সম্পূর্ণ ‘ভুল ও অনুমাননির্ভর’। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ঘাসফুল শিবির বা তৃণমূল প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন অথচ সেখানেও নাম বাদ পড়ার সংখ্যা জয়ের মার্জিনের চেয়ে বেশি ছিল। ফলে এই ধরনের তুলনাকে বিভ্রান্তিকর বলেই উল্লেখ করেছে কমিশন।

এই কাজ করলেই বরখাস্ত! সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য কড়া আচরণবিধি জারি লালবাজারে

পুজোর মরশুমে রেলের উপহার: ষষ্ঠী থেকে দিঘা স্পেশাল ট্রেন চালু, রইল টাইম টেবিল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *