এক বছর আগে ইস্টবেঙ্গলের নায়ক ছিলেন, এ বার মোহনবাগানের ট্রফির নেপথ্যে সেই সায়নই
তবে ফুটবলে পরিস্থিতি বদলাতে সময় লাগে না। কোচিং স্টাফ বদলানোর পর ধীরে ধীরে প্রথম দলের পরিকল্পনা থেকে সরে যেতে থাকেন সায়ন। শেষ পর্যন্ত ISL জয়ের মরশুমের পর ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে তাঁর পথ আলাদা হয়ে যায়। সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে নামার সিদ্ধান্ত ঘিরে সমর্থকদের একাংশের সমালোচনাও শুনতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু শনিবার তিনি উত্তর দিলেন সবচেয়ে পরিচিত ভাষায়— ফুটবল দিয়ে।
যে ১৩ মিনিট বদলে দিল সব কিছু
ম্যাচের ৬১ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন সায়ন। তখন মোহনবাগান ১০ জনে খেলছে এবং ১-২ গোলে পিছিয়ে। ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছিল। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। প্রথমে সাহাল আব্দুল সামাদ সমতা ফেরান। তার পর ৭৪ মিনিটে আসে সেই মুহূর্ত। সাহালের পাস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন সায়ন। মুহূর্তের মধ্যে বিস্ফোরিত হয় বারাসত। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত মোহনবাগানকে এনে দেয় কলকাতা লিগের ট্রফি।
ম্যাচের পর সায়নের কণ্ঠে ছিল স্বস্তি আর আত্মবিশ্বাসের মিশেল। তিনি বলেন, ‘গোল করাই আমার কাজ। অনেক দিন গোল পাচ্ছিলাম না। আজ কঠিন সময়ে গোল করতে পেরেছি। আমরা পিছিয়ে ছিলাম, কিন্তু ফল নিয়ে না ভেবে শুধু খেলার দিকেই মন দিয়েছিলাম।’