দার্জিলিংয়ের হোমস্টেতে তরুণীর আগুনে ঝলসে যাওয়ায় উঠছে নানা প্রশ্ন, পুজোর মুখে প্রভাব পড়বে পর্যটনে?
পাহাড়ে গিয়ে বারবিকিউ বা বনফায়ার বরাবরই পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের বিষয়ে। তা নজরে রেখে ইদানীং অধিকাংশ হোমস্টেই এ সবের ব্যবস্থা রাখে। সিটংয়ের ঘটনা প্রশ্ন তুলে দিল, বারবিকিউ বা বনফায়ারের ব্যবস্থা থাকলেও জরুরি সতর্কতা কি নেওয়া হয়ে থাকে? সর্বোপরি অগ্নিবিধি মেনে চলা হয় কি না, সেই প্রশ্নও তুলতে শুরু করেছেন অনেকে। পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের অনেকের মতে, এই ঘটনা পর্যটকদের মনে ভয় ধরানোর জন্য যথেষ্ট। হোমস্টেগুলিতে প্রশিক্ষিত কর্মীর অভাব যে কতটা রয়েছে, তা-ও দেখিয়ে দেয় এই ঘটনা।
উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার বাসিন্দা নিকিতার পরিবারের তরফে হোমস্টের বিরুদ্ধে গাফিলতিরও অভিযোগ তোলা হয়েছে। পরিবারের দাবি, আগুন লেগে যাওয়ার পরে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেননি হোমস্টের মালিক। যদিও হোমস্টে কর্তৃপক্ষ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অনেকের মত, হোমস্টের বিরুদ্ধে ওঠা গাফিলতির অভিযোগও পর্যটকদের মনে প্রভাব ফেলবে আগামী দিনে।