কালীঘাটের হয়ে ইসিতে যাবেন ডেরেক, কল্যাণরা, টিম সাজাচ্ছে বিদ্রোহীরাও
এই সময়, নয়াদিল্লি ও কলকাতা: তৃণমূলের ‘প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব’ কারা করছেন, সেই বিতর্কের মীমাংসার উদ্দেশ্যে আগামিকাল, শনিবার দুই যুযুধান গোষ্ঠীকে দিল্লিতে তলব করেছে দেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি)৷ কাল বেলা ১২টায় দিল্লিতে কমিশনের সদর দপ্তরে গিয়ে সাক্ষাতের কথা কালীঘাটপন্থী তৃণমূল শিবিরের৷ বৃহস্পতিবার কালীঘাটপন্থী নেতা তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে জানিয়েছেন, শনিবার ইসিতে তাঁদের তরফে প্রতিনিধিত্ব করবেন রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন, লোকসভার মুখ্য সচেতক ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার সাগরিকা ঘোষ এবং আইনজীবী অভিনব সিং৷ থাকবেন সাকেত নিজেও৷
শনিবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী তৃণমূলের পাঁচ সদস্যও কমিশনে গিয়ে তাঁদের অবস্থান ব্যাখ্যা করবেন৷ বৃহস্পতিবার কলকাতায় বিদ্রোহী তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পরে ঋতব্রত বলেন, ‘প্রতিনিধিদলে কারা থাকবেন, তা চূড়ান্ত হলে কমিশনকে জানানো হবে। সংবাদমাধ্যমকেও জানানো হবে। উপনির্বাচনের প্রার্থীর নামও কিছু দিনের মধ্যে ঘোষণা করা হবে।’ রুদ্ধদ্বার শুনানি পর্বে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পরেই তৃণমূলের কর্তৃত্ব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে কমিশন৷ ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন৷ তারপরেই আছে কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভার ভোট৷ তার আগে কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে সব পক্ষের৷
এ সবের মাঝেই বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে সাকেত দাবি করেন, তিনি কমিশন এবং লোকসভার সচিবালয়ের কাছে এনসিপিআই (ন্যাশনালিস্ট সিটিজে়ন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া) সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে চেয়ে তথ্যের অধিকার আইনে আবেদন করেছেন৷ এনসিপিআইয়ের তরফে নিজেদের পৃথক রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি জানিয়ে লোকসভার সচিবালয় এবং কমিশনে কী কী নথি জমা দেওয়া হয়েছে, তার বিবরণ ও প্রতিলিপি দাবি করেছেন সাকেত৷