৬ বছরের শিশুকন্যার পাশবিক হত্যা! অ্যাকশন মোডে অভিযুক্তকে গুলি করে খতম করল যোগী পুলিশ
নয়ডা: উত্তর প্রদেশের নয়ডায় ফের অ্যাকশন মোডে যোগী পুলিশ। (Greater Noida)ছয় বছরের এক শিশুকন্যার হত্যায় অভিযুক্ত আসামিকে এনকাউন্টার করল পুলিশ । ঘটনাটি ঘটেছে গ্রেটার নয়ডার…
নয়ডা: উত্তর প্রদেশের নয়ডায় ফের অ্যাকশন মোডে যোগী পুলিশ। (Greater Noida)ছয় বছরের এক শিশুকন্যার হত্যায় অভিযুক্ত আসামিকে এনকাউন্টার করল পুলিশ । ঘটনাটি ঘটেছে গ্রেটার নয়ডার হালদোনি গ্রাম এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের শাসনাধীন রাজ্যে এ ধরনের দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে।শুক্রবার দুপুরের দিকে ছোট্ট মেয়েটি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।
পরিবার ইকোটেক-৩ থানায় অভিযোগ জানায়। (Greater Noida)পুলিশ পাঁচটি দল গঠন করে অনুসন্ধান শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়। আসামির নাম বলরাজ। তিনি মেয়েটির কাকার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এবং পরিবারের পরিচিত ছিলেন।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, আসামি মেয়েটিকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যায়। পরে তার মৃতদেহ একটি বস্তায় ভরে মাঠে ফেলে রাখে।
আরও দেখুনঃ চাহিদা বাড়াতে স্মার্ট ফোনের উপর থেকে কমতে পারে ১৮% GST
৮ মাসের বিরতি শেষ! এবার ইওএস-৫ উপগ্রহ উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে ISRO
সিসিটিভিতে তাকে বস্তা কাঁধে নিয়ে যেতে দেখা যায়। পরিবারের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।শনিবার পুলিশ তাকে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। তিনি দাবি করেন, অস্ত্রটি ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছেন। সেখানে পৌঁছে তিনি হঠাৎ পুলিশের ওপর গুলি চালান। এক হেড কনস্টেবল আহত হন। পুলিশ আত্মরক্ষায় জবাবি গুলি চালায়।
আসামি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে মারা যান। (Greater Noida)পুলিশ একটি অবৈধ পিস্তল ও কার্টিজ উদ্ধার করেছে।এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শিশুর পরিবার গভীর শোকে নিমজ্জিত। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে তদন্ত। পুলিশ বলছে, দ্রুত তদন্ত ও পদক্ষেপের ফলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত চলছে।উত্তর প্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের আমলে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কথা বারবার বলা হয়।
বিশেষ করে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে অপরাধে পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ঘটনায়ও পুলিশ দ্রুত তৎপর হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। স্থানীয়রা অনেকে পুলিশের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, এ ধরনের অপরাধে দৃষ্টান্ত স্থাপন প্রয়োজন।তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রায়ই এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তোলে। পুলিশের দাবি, এটি আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা।
আসামি নিজে গুলি চালিয়েছিলেন এবং একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।(Greater Noida) আদালতের রায় বা তদন্তের পরই পুরো চিত্র স্পষ্ট হবে।শিশু হত্যার মতো ঘটনা সমাজে গভীর আঘাত তৈরি করে। পরিবারের ক্ষতি পূরণ হয় না। পুলিশের দ্রুত ব্যবস্থা কিছুটা স্বস্তি দিলেও অপরাধ প্রতিরোধের জন্য সামাজিক সচেতনতাও জরুরি। নয়ডার এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কতটা প্রয়োজনীয়।