নবায়নযোগ্য জ্বালানির পরিমান ৩০০ গিগাওয়াট ছাড়াল! রেকর্ড গড়ল ভারত
নয়াদিল্লি: নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে ভারত (renewable energy)। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি জানিয়েছেন, ভারত ইতিমধ্যেই ৩০০ গিগাওয়াট নন-ফসিল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ…
নয়াদিল্লি: নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে ভারত (renewable energy)। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি জানিয়েছেন, ভারত ইতিমধ্যেই ৩০০ গিগাওয়াট নন-ফসিল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অতিক্রম করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ গিগাওয়াট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে চলেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। (renewable energy)৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশের মোট স্থাপিত নন-ফসিল জ্বালানি ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ৩০০.৫০ গিগাওয়াটে। এটি দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৫৪ শতাংশেরও বেশি। এর মধ্যে সৌরশক্তির অবদান সবচেয়ে বেশি ১৬৪.৫৯ গিগাওয়াট।
আরও দেখুনঃ ‘মাদ্রাসা বন্ধ হলে মুসলমানরা তান্ডব চালাবে!’ ধামি রাজ্যের ত্রিশূল চকে হুমকি মৌলানার
ভারতে ডেটা সেন্টারের রমরমা! ২০৩০-এর মধ্যে বিনিয়োগের অঙ্ক ছুঁতে পারে ৩০০ বিলিয়ন ডলার
নিরাপত্তায় আপোষ নয়! রাজৌরি সেক্টরে ৩ পাক ড্রোন হামলা ব্যর্থ করল সেনা বাহিনী
বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়োপাওয়ার ও পারমাণবিক শক্তি মিলে এই নন-ফসিল ক্ষমতা গড়ে উঠেছে। মন্ত্রী জোশি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই ৩০০ গিগাওয়াট অতিক্রম করেছি। ২০৩০ সালের ৫০০ গিগাওয়াট লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথে আমরা ভালোভাবে এগিয়ে আছি। এটিই আমাদের গতি ও পরিসরের প্রমাণ।”চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসেই প্রায় ১৭ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি ক্ষমতা যোগ হয়েছে।
এর মধ্যে সৌরশক্তিই ১৪ গিগাওয়াটের বেশি। (renewable energy)গত ১২ বছরে দেশের নন-ফসিল ক্ষমতা ৮০ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে ৩০০ গিগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যা প্রায় ২৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি। সৌরশক্তি ২.৮ গিগাওয়াট থেকে ১৬৫ গিগাওয়াটের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই দ্রুত সম্প্রসারণের পেছনে রয়েছে সরকারি নীতি, বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এবং রাজ্যগুলোর সক্রিয় ভূমিকা।মন্ত্রী আরও জানান, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ভারতের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমেনি।
আসন্ন ভারত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্মেলন ও প্রদর্শনীতে আট থেকে দশটি দেশ অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সম্মেলন নভেম্বরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।ভারতের এই সাফল্য শুধু সংখ্যার হিসাব নয়। এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
প্যারিস চুক্তির আওতায় ভারত যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার দিকে এগোনোর এটি এক বড় পদক্ষেপ। ঘরোয়া সৌর প্রকল্প যেমন পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনার মাধ্যমে লাখ লাখ পরিবার উপকৃত হচ্ছে। ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়ে সাধারণ মানুষ এখন নিজেরাই বিদ্যুৎ উৎপাদন করছেন। এতে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ বিল কমছে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণও হ্রাস পাচ্ছে।