Exercise-এ Heart Attack Risk, কারা থাকবেন সতর্ক? Ei Samay
কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?
যাঁদের আগে থেকেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস বা অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জোরালো ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বেশি বয়সি ব্যক্তি এবং দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকলে, ধীরে ধীরে ব্যায়ামের অভ্যাস তৈরি করতে হবে।
ওয়েট ট্রেনিং করার সময় সঠিক কৌশল এবং নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী ওজন বেছে নেওয়া জরুরি। অত্যধিক ভারী ওজন তোলার সময় শ্বাস আটকে রাখলেও রক্তচাপের উপর প্রভাব পড়তে পারে।
ব্যায়ামের সময় বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব করা, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, হঠাৎ দুর্বল হয়ে পড়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি কিংবা হৃদস্পন্দনে অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যায়াম বন্ধ করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিন। এগুলিকে সাধারণ ক্লান্তি ভেবে উপেক্ষা করা উচিত নয়।
ওয়ার্ম আপ আর কুল ডাউন কেন জরুরি?
ব্যায়ামের আগে কয়েক মিনিট warm-up করলে শরীর ধীরে ধীরে ওয়ার্কআউটের জন্য প্রস্তুত হয়। একই ভাবে ব্যায়াম শেষ করেই হঠাৎ থেমে না গিয়ে কিছুক্ষণ হালকা হাঁটা বা স্ট্রেচিং করা ভালো।
মনে রাখবেন, হার্ট অ্যাটাকের রিস্ক কোনও নির্দিষ্ট ব্যায়ামের উপর নির্ভর করে না। বয়স, শারীরিক অবস্থা, ফিটনেসের মাত্রা এবং অন্যান্য ঝুঁকির কারণও গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিয়মিত, পরিমিত ও নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী ব্যায়াম করুন। কোনও স্বাস্থ্য সমস্যা বা অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।