রেলের ভূমিকায় ভোগপুরে ক্ষোভ ক্রমে বেড়েই চলেছে
ভোগপুর স্টেশন লাগোয়া তিনটি গ্রাম— ভোগপুর, কোদালিয়া ও বাঙালপুর। তিনটি গ্রামের তিন পরিবারের শোক মিলেমিশে একাকার। ২০২৪-এর ফেব্রুয়ারির এক রাতে ভোগপুর স্টেশনের অদূরে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেসের ধাক্কায় মৃত্যু হয় কোদালিয়া গ্রামের দীপেন্দু সাঁতরা ও ভোগপুর গ্রামের রূপঙ্কর কোলের। দু’জনেই তখন ভোগপুর কেনারাম হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। দীপেন্দু ভালো প্রতিমা গড়ত। আর রূপঙ্কর দড় ছিল খেলাধুলোয়। আড়াই বছর আগে সন্তান হারানোর স্মৃতি দগদগে সাঁতরা ও কোলে পরিবারের।
মঙ্গলবার স্কুল যাওয়ার পথে ট্রেনের ধাক্কায় নবম শ্রেণির ছাত্রী সোমা জানার মৃত্যুর পরে চোখের জল বাঁধ মানছে না ওই দুই পরিবারের সদস্যদেরও। রূপঙ্করের বাবা সহদেব বলছেন, ‘স্কুলের সামনে আমার চায়ের দোকান রয়েছে। সোমা আর জয়িতা দু’জনে রোজ একসঙ্গে স্কুলে যেত। গতকাল দুর্ঘটনার পরে ছুটে যাই। আমার স্ত্রী-ও তখন বাজারেই ছিল। ছেলের কথা ভেবে আমি আর আমার স্ত্রী দু’জনেই কাঁদতে শুরু করি। রেলের অবহেলার জন্য কত মায়ের কোল খালি হয়ে গেল।’