খনির ভবিষ্যৎ জানতে ইসরোর সঙ্গে মউ স্বাক্ষর কোল ইন্ডিয়ার
রেড্ডি আরও জানিয়েছেন, মউ অনুসারে কোল ইন্ডিয়ার সাবসিডিয়ারি কোলিয়ারিগুলির বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন ছবি তুলবে। তা সরাসরি চলে যাবে নির্দিষ্ট স্যাটেলাইটে। সংগৃহীত তথ্য সেখান থেকে জমা হবে হায়দরাবাদের ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং ইনস্টিটিউটে। কয়লা মন্ত্রকের আধিকারিকরা দিল্লিতে বসেই বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সমস্ত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবেন। তিনি জানালেন, বিসিসিএল–এ প্রথমে এই কাজ শুরু হচ্ছে। এর পরেই ইসিএল, সিসিএল সমেত দেশ জুড়ে সর্বত্রই এই পদ্ধতিতে কাজ হবে। এর মাধ্যমে শুধু কয়লা চুরি বা খনি এলাকায় মাটির নীচে আগুনের হদিশ মিলবে, তা নয়। কোল ইন্ডিয়ার অন্তর্গত বিভিন্ন খনিতে কতটা গভীরে কী ধরনের কয়লা আছে, কোন মানের কত পরিমাণ কয়লা আছে, এমনকী কয়লাখনির জায়গা কোথায় দখল হয়েছে, কোনও লিজ় হোল্ডিং এলাকার মধ্যে বেআইনি খনন হচ্ছে কি না এবং খনি এলাকাগুলিতে কী পরিমাণ সবুজ গড়ে উঠেছে, সেই সব তথ্যও পাওয়া যাবে। রেড্ডি বলেন, ‘এ ভাবে সংগৃহীত তথ্যের এআই ভিত্তিক বিশ্লেষণ থেকে এক-একটি খনি এলাকার ভবিষ্যৎও জানা যাবে।’