প্রশিক্ষণে বিপুল বরাদ্দ কেন্দ্রের, ‘কাজে’ লাগাতে ব্যর্থ যুবসমাজ
পরিস্থিতির উন্নয়নে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত জেনারেল এমপ্লয়েবিলিটি অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ স্কিলস চালুর প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় থিঙ্ক ট্যাঙ্কটি। এর মধ্যে কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো, ডিজিটাল নলেজ, আর্থিক সচেতনতা, দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার ক্ষমতা, সমস্যা সমাধান এবং উদ্যোগপতি হওয়ার মতো দক্ষতা অর্জনের উপরে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। নবম শ্রেণি থেকেই বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ তৈরিরও সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে স্নাতক হওয়ার পরে নয়, কাজের বাজারের চাহিদা সম্পর্কে অনেক আগে থেকে পড়ুয়ারা ধারণা পেতে পারেন। সমীক্ষা রিপোর্ট থেকে দেখা গিয়েছে, দেশের ১৫-২৯ বছর বয়সি ৮.৭ কোটি তরুণ-তরুণী কোনও রকম শিক্ষা, চাকরি বা কোনও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত নন। যে সংখ্যাটি যথেষ্ট উদ্বেগজনক, দাবি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির। তাদের দাবি, গত ৪ দশকে এ হেন বেকারত্বের মুখোমুখি হতে হয়নি দেশকে।