Jadavpur University Chaos: যা কখনও হয়নি এবার কি তাই হবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে? ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন VC | Jadavpur University VC give statement and said police outpost will place jadavpur university gate
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়Image Credit: Tv9 Bangla
কলকাতা: বুধবার থেকে ফের তপ্ত হয়ে রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। এবিভিপি ও বামদের সংঘর্ষ। এবিভিপি ছাত্ররা আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। রাতে অন্য একদল বহিরাগত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঢুকে পড়ে বলে অভিযোগ। আবারও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হলে বামপন্থী ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ে র অরবিন্দ ভবনের ভিতরে নিজেদের তালাবন্দি করে রাখেন। গতকাল রাতের সেই ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য যদি ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়, তাহলে দরকারে ক্যাম্পাসের বাইরে বসতে পারে পুলিশ আউটপোস্ট। যা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিরোধী।
যাদবপুুরে অশান্তির ঘটনা নতুন কিছু নয়। কখনও র্যাগিংয়ের অভিযোগ, কখনও ছাত্রদের রাজনৈতিক মত বিরোধের জেরে বারেবারে উত্তপ্ত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। গতকালের ঘটনাও নতুন কিছু নয়। এর আগে যখন প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল, সেই সময়ই ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানোর প্রসঙ্গ ওঠে। তবে ছাত্রদের প্রবল বিক্ষোভের জেরে তাতে খানিক পিছু হটতে হয় কর্তৃপক্ষকে। এরপর আবার গতকালের ঘটনা, তবে কি এবার যাদবপুর সর্বক্ষণ নজরে থাকবে পুলিশের? দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম যাদবপুর। পড়াশোনার পাশাপাশি এখানকার মুক্তমনা চিন্তা ভাবনা নিতান্তই অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে আলাদা করে যাদবপুরকে। তবে বারেবারে যদি আইন-শৃঙ্খলা নষ্ট হয়, তাহলে যে পুলিশ আউট পোস্ট বসবে তার ইঙ্গিত দিলেন উপাচার্য।
উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “একটা ক্যাম্পাস দেশের আইন-শৃঙ্খলার বাইরে নয়। তাই ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় যা যা আইন রয়েছে সবটাই অ্যাপ্লিকেবল হবে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমি চেষ্টা করব। আমি এই ইকো সিস্টেমের সঙ্গে পরিচিত।” তিনি আরও বলেন, “আমরা খোলামেলা সিস্টেমে বিশ্বাসী। সেটা থাকবে। আমরা কোর্টে বলেওছিলাম ২৪ ঘণ্টা পুলিশ আউটপোস্ট। তবে এটা যাদবপুরের সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়। সেটা কোর্টও বক্তব্যকে মান্যতা। কিন্তু এখন যদি এই ঘটনা ঘটে তাহলে অবশ্যই ভবিষ্যতেই সেই জায়গাটা আসবে।”
এ দিকে, গতকালের অশান্তির ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ জনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯১(২), ১৯০, ১১৭(২), ১০৯, ১৯৭(১)(ডি) ও ৩৫৩(১) ধারার পাশাপাশি এসসি/এসটি আইনের ৩(১)(আর)(এস) ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এখনও পর্যন্ত অপর পক্ষের তরফে কোনও পাল্টা অভিযোগ দায়ের হয়নি।