রাঘব-অনুরাগরা পাবেন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই? জল্পনা
সুদেষ্ণা ঘোষাল, নয়াদিল্লি
কবে, কখন, কে কে? সোমবার বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীনের নেতৃত্বাধীন নতুন জাতীয় কমিটি গঠনের পরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘিরে এখন এই প্রশ্নের সমাহার! তার মধ্যেই আজ, বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নির্ধারিত বৈঠক, তবে আলোচ্যসূচি জানা যায়নি।
আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, গুজরাট, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গোয়া এবং মণিপুরের বিধানসভা ভোট৷ তার দু’বছরের মধ্যেই লোকসভা নির্বাচন৷ ২০২৭ এবং ২০২৯— আড়াই বছরের মধ্যে এক গুচ্ছ বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হবে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে নয়া মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাবেন, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।
বিজেপি সূত্রের খবর, নতুন মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন তিন বিজেপি সাংসদ রাঘব চাড্ডা, অনুরাগ ঠাকুর এবং তেজস্বী সূর্য৷ আগামী বছর পাঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচন৷ তার আগে পাঞ্জাবের ভূমিপুত্র রাঘবকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার পাশাপাশি পঞ্চনদের তীরে বিজেপির দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করার চ্যালেঞ্জ সঁপে দেওয়া হতে পারে, এমনটাই খবর বিজেপি সূত্রের। একই ভাবে হিমাচল প্রদেশের পরিবর্তন বনাম প্রত্যাবর্তন যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে ফের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ফিরিয়ে আনা হতে পারে সেই রাজ্যের ভূমিপুত্র অনুরাগকে৷ ২০২০–২০২৬, টানা ৬ বছর বিজেপি যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দুরন্ত পারফর্ম করা দলীয় সাংসদ তেজস্বীকে তাঁর পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে বলে খবর।
রাঘব এবং অনুরাগ এ বার নীতিন নবীনের কোর টিমে জায়গা না পাওয়ায় জল্পনা আরও জোরালো হচ্ছে৷ তেজস্বী সূর্যকেও তাঁর পদে পুনর্বহাল করা হয়নি৷ দলীয় সূত্রের দাবি, ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেরে ফেলা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য রদবদল৷ এই রদবদলে বাংলা থেকে ক’জন নতুন মন্ত্রীর দায়িত্ব পান সেদিকেও থাকছে নজর। নীতিনের নতুন টিমে বঙ্গ বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা এবং রাজ্য নেত্রী, চিকিত্সক মধুছন্দা কর জায়গা পাওয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সম্প্রসারণে বাংলার অতিরিক্ত গুরুত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়েছে।
জল্পনা চলছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ঘিরেও। নিট প্রশ্ন ফাঁস বিতর্কের আবহে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া ধর্মেন্দ্র বিজেপি সভাপতির নতুন টিমে জায়গা পাননি৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও তাঁর দ্রুত কামব্যাক করা কঠিন৷ বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, ধর্মেন্দ্রকে তাঁর নিজের রাজ্য ওডিশায় পাঠিয়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার দায়িত্ব সঁপা হতে পারে৷