মেক ইন ইন্ডিয়ায় ইতিহাস! ৩ হাজার ৭০ কোটি টাকার অস্ত্র এখন তৈরী হচ্ছে ভারতেই - 24 Ghanta Bangla News
Home

মেক ইন ইন্ডিয়ায় ইতিহাস! ৩ হাজার ৭০ কোটি টাকার অস্ত্র এখন তৈরী হচ্ছে ভারতেই

Spread the love

নয়াদিল্লি: প্রতিরক্ষা উৎপাদন বিভাগ অর্থাৎ ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স (Positive Indigenisation)প্রোডাকশন সম্প্রতি ষষ্ঠ পজিটিভ ইন্ডিজেনাইজেশন লিস্ট বা ইতিবাচক দেশীয়করণ তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রয়েছে ৪০৫টি…

নয়াদিল্লি: প্রতিরক্ষা উৎপাদন বিভাগ অর্থাৎ ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স (Positive Indigenisation)প্রোডাকশন সম্প্রতি ষষ্ঠ পজিটিভ ইন্ডিজেনাইজেশন লিস্ট বা ইতিবাচক দেশীয়করণ তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রয়েছে ৪০৫টি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী, যার আনুমানিক ব্যবসায়িক সম্ভাবনা প্রায় তিন হাজার সত্তর কোটি টাকা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এই ঘোষণা দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে (Positive Indigenisation)স্বনির্ভরতার পথে আরও এক বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তালিকাটিতে রয়েছে লাইন রিপ্লেসেবল ইউনিট, সাব-সিস্টেম, সাব-অ্যাসেম্বলি, খুচরা যন্ত্রাংশ, উপাদান এবং কাঁচামালসহ নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। এর মধ্যে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের ১৬টি এবং প্রতিরক্ষা পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিংস তথা ডিপিএসইউগুলোর ৩৮৯টি সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও দেখুনঃ NEET-JEE তে বঞ্চিতদের জন্য বিনাপয়সায় কোচিংয়ের ব্যবস্থা মোদী সরকারের

এই তালিকার মাধ্যমে সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এসব সামগ্রী এখন থেকে দেশের ভিতরেই তৈরি করতে হবে। বিদেশ থেকে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করাই এর মূল লক্ষ্য। তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সামগ্রীগুলো দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম ও ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত (Positive Indigenisation)। এর মধ্যে রয়েছে এয়ার প্ল্যাটফর্ম যেমন অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার, লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার, সুখোই-৩০এমকেআই, লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট এবং এএল-৩১এফপি ইঞ্জিন।

সাঁজোয়া যানগুলোর মধ্যে টি-৭২, টি-৯০ এবং বিএমপি-২ অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা যেমন কনকুরস-এম, ইনভার এবং এমআরএসএএম, প্রতিরক্ষা ইলেকট্রনিক্স যেমন রাডার, সোনার, ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম এবং স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন সিস্টেম, হাই এক্সপ্লোসিভ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গোলাবারুদসহ আরও নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এই তালিকায় জায়গা পেয়েছে।

আরও দেখুনঃ পাততাড়ি গোটাচ্ছে বর্ষা! উত্তর-পশ্চিমে শুষ্ক হাওয়ার প্রবেশ, বাংলায় তবে বৃষ্টি কেন?

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ শুধু আমদানি নির্ভরতা কমাবে না, (Positive Indigenisation)বরং দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াবে। ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোও এখন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে পারবে। আগে যেসব যন্ত্রাংশ বা উপকরণ বিদেশ থেকে আনতে হতো, সেগুলো এখন দেশেই তৈরি হলে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতিতে সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকিও কমবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এই উদ্যোগ আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। (Positive Indigenisation)ইতিমধ্যে আগের পাঁচটি তালিকায় অনেক সামগ্রী দেশীয়করণের আওতায় এসেছে এবং তার ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

আরও দেখুনঃ ভারত-চিন বাণিজ্য গড়ল রেকর্ড! মাত্র ৬ মাসেই পৌঁছল ৯১.৭২ বিলিয়ন ডলারে

ষষ্ঠ তালিকায় আরও বেশি সংখ্যক কৌশলগত সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত করায় শিল্পমহলে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই এই সামগ্রীগুলো তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানা গেছে। সরকার আশা করছে, এতে করে প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ আরও বাড়বে এবং দেশীয় প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *