দীর্ঘ বন্দিজীবনের শেষে জঙ্গলে ফেরা, গোরুমারায় নতুন করে ঘর বাঁধল ভোলা-বাসন্তী
ভোলা আর বাসন্তীর নতুন জীবনের পিছনে রয়েছে দীর্ঘ এক গল্প। বিহারের গোপালগঞ্জের ওই আশ্রমে এক সময় ছিল তিনটি কুনকি হাতি। বেশ কয়েক বছর ধরে। কিন্তু হাতিগুলির মালিকানা কিংবা সেখানে রাখার প্রয়োজনীয় বৈধ নথিপত্র আশ্রম কর্তৃপক্ষের কাছে ছিল না বলেই অভিযোগ। বিষয়টি নজরে আসতেই সরব হয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শুরু হয় আইনি লড়াই।
আদালতের নির্দেশে আশ্রম থেকে তিনটি হাতিকে উদ্ধার করে বিহার বন দপ্তর। শেষ পর্যন্ত তাদের তুলে দেওয়া হয় পশ্চিমবঙ্গ বন দপ্তরের হাতে। কিন্তু নতুন জীবনের পথ মসৃণ ছিল না মোটেই। আশ্রমে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েছিল তৃতীয় কুনকি হাতিটি। মৃত্যু হয় তার। জীবন যুদ্ধে শুধু টিকে থাকে ভোলা আর বাসন্তী।
উদ্ধারের পর প্রথমে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় মহানন্দা ওয়াইল্ড লাইফ স্যানচুয়ারিতে। সেখানে প্রায় দু’মাস ধরে চলে যত্নআত্তি। তার পরে গত জুনে তাদের নতুন ঠিকানা হয় গোরুমারার ধুপঝোড়া পিলখানা। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সেখানেই নতুন করে ঘর বাঁধল তারা।