টাইব্রেকারে জিতে সেমিতে, ছন্নছাড়া মোহনবাগানের ত্রাতা বিশাল
রুদ্ধশ্বাস পেনাল্টি ও কাইথের ম্যাজিক সেভ
নির্ধারিত সময়ে ফয়সালা না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুট-আউটে। সেখানেও চলতে থাকে অবিশ্বাস্য স্নায়ুর লড়াই। মূল পাঁচ শটের পর ম্যাচ গড়ায় সাডেন ডেথে।
মোহনবাগানের সফল শুটাররা: রাহুল ভেকে, সামির, শুভাশিস বসু, জেমি ম্যাকলারেন, কিয়ান নাসিরি, অনিরুদ্ধ থাপা, আলবার্তো রদ্রিগেজ, সুহেল আহমেদ ভাট এবং অভিষেক সিং টেকচাম প্রত্যেকেই নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান।
জামশেদপুরের শুটাররা: লালরিয়াপুইয়া, রেনিয়ার ফার্নান্দেজ, আমন সিকে, অভিষেক আম্বেকর, প্রণয় হালদার, প্রভাত লাকরা, প্রতীক চৌধুরী ও নিখিল বার্লা গোল করেন।
স্কোরলাইন যখন ৮-৮, তখন মোহনবাগানের অভিষেক সিং টেকচাম গোল করে দলকে ৯-৮ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এরপরই জ্বলে ওঠেন মোহনবাগান গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। জামশেদপুরের লামসাংজুয়ালা (মামা)-র জোরালো শট অনবদ্য ক্ষিপ্রতায় আটকে দিয়ে সবুজ-মেরুনকে সেমিফাইনালের টিকিট এনে দেন তিনি। এই হৃদয়বিদারক হারের মধ্য দিয়েই ভারতীয় ফুটবলে জামশেদপুর এফসি-র ইতিহাসের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটল।