টানাপড়েন ভুলে নয়া সমীকরণ! ব্রিকসের আগেই মোদী-তারেক বৈঠক? - 24 Ghanta Bangla News
Home

টানাপড়েন ভুলে নয়া সমীকরণ! ব্রিকসের আগেই মোদী-তারেক বৈঠক?

Spread the love

নয়াদিল্লি/ঢাকা: ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপড়েন কাটিয়ে নতুন করে সমীকরণ সাজানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত…

নয়াদিল্লি/ঢাকা: ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপড়েন কাটিয়ে নতুন করে সমীকরণ সাজানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনের আগেই ভারত সফরে আসতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলতি মাসের শেষে অথবা সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে তাঁর এই দিল্লি সফর হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ১২–১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপি (BNP)-র নেতৃত্বে তারেক রহমানের ক্ষমতায় ফেরার মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে মুহাম্মদ ইউনূসের ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের। নির্বাচনে জয়ের পরপরই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে নয়াদিল্লি সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। যদিও শুরুতে মালয়েশিয়া ও চিন সফরকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন তারেক রহমান। এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা-ইসলামাবাদ সামরিক সহযোগিতা এবং পাকিস্তান থেকে ‘JF-17 থান্ডার’ যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।

আলোচনায় কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়?

উভয় দেশের কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছে যাতে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের পথ সুগম হয়। সূত্রের খবর, এই সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার টেবিলে থাকতে পারে৷ তার মধ্যে বহু প্রতিক্ষিত গঙ্গা জলচুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি ও পুনর্নবীকরণের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেতে পারে।

এছাড.়াও ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশের ওপর ভারতের আরোপিত বিভিন্ন বাণিজ্য বিধিনিষেধ প্রত্যাহার বা শিথিল করার সম্ভাবনা রয়েছে। বিমস্টেক (BIMSTEC)-এর বর্তমান চেয়ার হিসেবে তারেক রহমানের এই দিল্লি সফর ব্রিকস সম্মেলনের আগে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে বড় ভূমিকা নেবে।

হাসিনা ইস্যু ও সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা

সম্প্রতি অগস্ট মাসে নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব থেকে শেখ হাসিনার একটি অডিও বার্তাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। হাসিনা সেখানে বর্তমান তারেক সরকারকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়েছিলেন। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA) দ্রুত সেই বিতর্ক থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে স্পষ্ট জানায় যে, এটি সম্পূর্ণ একটি বেসরকারি সংস্থার অনুষ্ঠান ছিল এবং ভারতের সরকার হাসিনার বক্তব্যকে সমর্থন করে না।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের হিংসাত্মক ঘটনার বিচারের জন্য শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে ঢাকা থেকে যে দাবি তোলা হয়েছে, ভারত সরকার জানিয়েছে যে তা নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক স্তরে নানা চাপানউতোর সত্ত্বেও উভয় দেশই পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কথা মাথায় রেখে প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উদ্যোগী হয়েছে।

জনগণনার জন্য ৪০ টি প্রশ্নের সেট তৈরী করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

ধামি রাজ্যের নির্মীয়মান টানেলে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা! আটকে একাধিক শ্রমিক

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *