ল্যাবেই তৈরি হয়েছে চকোলেট তৈরির কোকো—কী ভাবে সম্ভব?
কেন এই গবেষণা এত গুরুত্বপূর্ণ?
বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে বিশ্বে কোকো উৎপাদন আগামী কয়েক বছরে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। শুধু ব্রিটেন নয়, ভারতও প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ কোকো আমদানি করে। ২০২৪ সালেই দেশে প্রায় ২৮.৮ হাজার টন কোকো বীজ আমদানি হয়েছিল। তবে কোকো বীজের পাশাপাশি কোকো পেস্ট, পাউডার, বাটার-সহ অন্যান্য কোকো-জাত সামগ্রীও ভারত আমদানি করে। তাই কোকোর উৎপাদন কমলে ভারত-সহ বিশ্বের নানা দেশে চকোলেটের ব্যবসা অনেকটাই ক্ষতির মুখে পড়বে।
তাই বার্কশায়ারের ওই গবেষণাকেন্দ্রে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ৩০০-রও বেশি ধরনের কোকো গাছ রয়েছে। রোগ ও কীটপতঙ্গের সংক্রমণ রুখতে সেখানে গাছগুলিকে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে রাখা হয় এবং কোকো নিয়ে গবেষণা চালানো হয়।
এই ১০০% ব্রিটিশ চকোলেট শুধু অভিনব খাবার নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের সময়েও কোকো উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।