মাইকবাজি নিয়ে ফের সরব শমীক, কড়া বার্তা তোলাবাজদেরও - 24 Ghanta Bangla News
Home

মাইকবাজি নিয়ে ফের সরব শমীক, কড়া বার্তা তোলাবাজদেরও

Spread the love

এই সময়: তোলাবাজদের পাশাপাশি মাইকবাজদের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি দলের সর্বস্তরের নেতা–কর্মীকে সতর্ক করে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সামাজিক অথবা রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে যথেচ্ছ মাইক বাজানো বন্ধ করতে হবে। কারণ, তাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয়। তাঁর এই বার্তার পরে অনেক জায়গায় মাইক–সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণে এলেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে পদ্ম–নেতাদের একাংশের পৃষ্ঠপোষকতাতেই দেদার মাইক বাজানো চলছে।

সূত্রের খবর, দলের কোন কোন নেতা–বিধায়ক শমীকের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মাইক বাজিয়ে নিজেদের প্রচার করে চলেছেন, তা বঙ্গ–বিজেপি নেতৃত্ব নজরে রেখেছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠান‍ো হবে শমীকের কাছেও।

এমনিতে বাংলার রাজনীতিকদের বারো মাসে তেরো পার্বণ। শুধু ভোটের সময়ে নয়, বছরভর নেতাদের উদ্যোগে পাড়ায় পাড়ায় রক্তদান, বস্ত্রদান, গানের জলসার মতো অনুষ্ঠান লেগে থাকে। অনুষ্ঠান শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকে আশপাশের সব লাইটপোস্টে মাইক বেঁধে প্রচার এখন বঙ্গ সংস্কৃতির অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাম জমানা থেকেই এই সংস্কৃতি চলছে বাংলায়।

বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব চাইছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে মাইকের উৎপাত থেকে কিছুটা রিলিফ দিতে। সে কারণেই সম্প্রতি শমীক প্রকাশ্যেই দলের নেতাদের মাইক বাজানো নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। তাতেও বিজেপির কিছু নেতার টনক নড়েনি।

বস্তুত তাঁদের উদ্দেশেই শমীক মঙ্গলবার বলেন, ‘অপ্রয়োজনে মাইক বাজানো ব‍ন্ধ করতেই হবে। কিছু জায়গায় বিচ্যুতি আছে। আমাদের নজরে সব আছে। রাতারাতি তো সব ঠিক হবে না। এক, দু’মাস সময় লাগবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে।’

সম্প্রতি বঙ্গ–বিজেপি সভাপতি মাইকবাজদের সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘কারও মায়ের শ্রাদ্ধ, তাই মাইক বাজিয়ে সাতদিন ধরে অখণ্ড নাম সংকীর্তন চলছে। এটা তো ঘরের মধ্যেও করা যায়। ৪০টা মাইক বাজানোর তো দরকার নেই। রক্তদান শিবির খুব ভালো উদ্যোগ। কিন্তু ৪৪ জন রক্ত দেবেন, আর তার জন্য ৪৪৪টা মাইক বাজবে! এটা চলতে পারে না।’

কোন কোন এ‍লাকায় মাইক বাজানোর প্রবণতা সব থেকে বেশি, তার ফিরিস্তি দিয়ে শমীক বলেছিলেন, ‘দমদম, নাগেরবাজার, পাইকপাড়া, রাজারহাট, বরাহনগর, কামারহাটির মতো এলাকায় অনেক ব্যবসায়ী বলছেন, আমরা মাইকের শব্দে অতিষ্ঠ। এ জিনিস চলতে পারে না। পরিবর্তন করতেই হবে।’ তবে মাইক–নজরদারিতে নেমে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব জানতে পেরেছেন, বারাসত, ব্যারাকপুর, হাওড়া, হুগলির অনেক জায়গাতেও বিজেপির একাংশের মদতে দেদার মাইক বাজছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *